প্রকল্প সংশোধনের আগেই হঠাৎ করেই ৫০০ কোটি টাকার পিপিই ও করোনা টেস্টিং কিট কিনতে তোড়জোড় শুরু করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। তবে এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন একমত পোষণ করেননি।
জানা যায়, আন্তঃখাত সমন্বয় করে চলমান প্রকল্পের আওতায় পিপিই-কিট ক্রয়ের প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। কিন্তু এই প্রস্তাবিট পরিবর্তনকে আন্তঃখাত সমন্বয় হিসেবে বিবেচনা করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। তাদের মতে, প্রকল্প সংশোধনের আগে এ ধরণের কেনাকাটা সম্ভব নয়।
এদিকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মতে, ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিসটেন্স’ প্রকল্পের আওতায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমগ্র প্রক্রিয়ায় আর্থিক ও পরিকল্পনা শৃঙ্খলা বজায় রাখা যেমন আবশ্যক, তেমনি অপরাপর উন্নয়ন প্রকল্পের দৃষ্টিকোণ থেকে এ প্রকল্পটি বিবেচনা না করাই যৌক্তিক। কারণ এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জরুরিভাবে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প। আন্তঃখাত সমন্বয় হিসেবে বিবেচনা করেই পিপিই-কিট কেনা সম্ভব।
এ বিষয়ে পরিকপনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক বিভাগের স্বাস্থ্য উইং মো. আবু ইউসুফ মিয়া বলেন, , প্রকল্প সংশোধন না করে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করে পিপিই-কিট কেনা সম্ভব না। আন্তঃখাত সমন্বয় করে প্রকল্পের আওতায় এতো বিশাল পরিবর্তন সম্ভব নয়।
তবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করে জরুরি ভিত্তিতে কিট-পিপিই কেনা হবে। বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে আছে। এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বার্তা বাজার/এসজে