আজ শুক্রবার রাত ১২:৩০, ২০শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৫ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

১৫ দিন বন্ধ থাকার পর কর্ণফুলী পেপার মিলের উৎপাদন শুরু

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : আগস্ট ৭, ২০১৭ , ১০:১২ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বার্তা
পোস্টটি শেয়ার করুন

কর্ণফুলী পেপাল মিলে (কেপিএম) রবিবার (৬ আগস্ট) থেকে পুনরায় কাগজ উৎপাদন শুরু হয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে থাকা কেপিএম’র পাম্প হাউজ নষ্ট হয়ে পড়ায় ১৫ দিন ধরে এ মিলের উৎপাদন বন্ধ ছিল।
কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ির ওয়াগ্গা ছড়ায় কর্ণফুলী পেপার মিলে পানি সরবরাহের প্রধান পাম্প হাউজটির অবস্থান। পাশের কর্ণফুলী নদী থেকে পানি নিয়ে মিলের কাগজ উৎপাদন ও মিলের আবাসিক এলাকায় পানির চাহিদা মেটানো হয়। পাহাড়ি ঢল ও কাপ্তাই হ্রদের অতিরিক্ত পানি বাঁধের ১৬ স্পিলওয়ে খুলে দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়ায় গত ২২ জুলাই থেকে কর্ণফুলী নদীতে থাকা কেপিএম’র পাম্প হাউজটির সবক’টি মোটর পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে পাম্পহাউজটিতে পলি জমে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পেপার মিলের উৎপাদন ও সব শ্রমিক-কর্মচারী এবং আবাসিক এলাকার লোকদের পানি সরবরাহ ১৫ দিন ধরে বন্ধ থাকে। শনিবার বিকালে যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে মিলে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পর রবিবার থেকে পুনরায় কেপিএম’র কাগজ উৎপাদন শুরু করা হয়। মিলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এম এম এ কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, কর্ণফুলী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কেপিএম’র পাম্প হাউজের ভেতরে থাকা মোটরগুলো পানিতে ডুবে যায়। এতে পানির অভাবে মিলের উৎপাদন বন্ধসহ এলাকার সাপ্লাই পানি সরবরাহ বন্ধ থাকে। ফলে কেপিএম এলাকার ১৫ হাজার জনগোষ্ঠির খাবার ও ব্যবহারের পানির তীব্র সংকটের ফলে শ্রমিক-কর্মচারী ও আবাসিক লোকদের ভোগান্তি চরমে।

কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এম এম এ কাদের বলেন, কর্ণফুলী নদীর ৪০ ফুট নিচে পানির পাম্প হাউজে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় পানি সরবরাহ বন্ধ থাকে। নৌ-বাহিনীর ডুবুরি দিয়েও পাম্পগুলো মেরামতের চেষ্টা চালানো হয়। সম্ভব না হওয়ায় কেপিএমের উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ হয়। কাপ্তাই বাঁধের অতিরিক্ত পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়ার কারণে নদীর স্রোত বেশি হওয়ায় পলি জমে পাম্প হাউজের মোটরগুলো অকেজো হয়ে পড়ে।