সিলেটের জকিগঞ্জে বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা পেয়েছে বাপেক্স। মঙ্গলবার (১৫ জুন) প্রাথমিক পরীক্ষায় অনুসন্ধান কূপে ড্রিল স্টিম টেস্টে শিখা জ্বালাতে সক্ষম হয় বাপেক্স।
কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজারের বেশি। কূপটিতে মোট ৪টি স্তরে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন এই ফিল্ডটি থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে বিয়ানীবাজার ও ৪৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোলাপগঞ্জ। তবে বাপেক্সের এমডি মোহাম্মদ আলী জানান, অনেক সময় গ্যাসের পকেট থাকতে পারে। তবে, এটি সত্যিকারের গ্যাসক্ষেত্র কি-না, তা আরো তিনটি পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত ২৭টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এসব গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুদ। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রমাণিত মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ, আর সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে আরও ৭ টিএসএফ’র মতো।
১১৩টি কূপ দিয়ে প্রতি বছরে উত্তোলিত হচ্ছে প্রায় ১ টিসিএফ’র মতো। এরমধ্যে দেশীয় কম্পানির ৭০টি কূপের(দৈনিক) ১ হাজার ১৪৫ এমএমসিএফডি, আইওসির ৪৫টি কূপের উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে্ ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফ(মিলিয়ন ঘনফুট)। দৈনিক কমবেশি ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে। গ্যাসের ঘাটতি মোকাবেলও এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম