মেহেরপুরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিন গ্রাম লকডাউন
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন গ্রাম কঠোর লক ডাউনের আওতায় রাখার ঘোষনা দেয়া হয়েছে।
করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহ এবং অধিক করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরের আনন্দবাস ও গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম তেঁতুলবাড়ীয়া ও হিন্দা গ্রামকে কঠোর লকডাউনের /বিধি নিষেধ ঘোষনা দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মেহেরপুর জেলার সংক্রমিত রোগীর তালিকায় উদ্বেগজনক হারে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসক ড. মুনসুর আলম খান আগামী সোমবার ১৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ১৪ দিন যাবত ৩ টি গ্রামে লক ডাউন ঘোষনা করেছেন। লকডাউনের কারনে সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার দোকান ছাড়া কোন দোকানপাট খোলা রাখা যাবে না।
আক্রান্ত রোগী ও তাদের বাড়ীর সদস্যদের বাড়ী থেকে বের না হতে পরামর্শ দেয়া হয়। আজ সোমবার বিকেলে গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, গাংনী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মৌসুমী খানম, গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রহমান, গাংনী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াছমিন,বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক সিনিয়র শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ,তেঁতুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম অল্ডাম,স্থানীয় মেম্বর, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বাড়ী বাড়ী গিয়ে করোনা সংক্রমিত পরিবারের সদস্যদের বাড়ীর বাইরে না যেতে পরামর্শ দেন।
স্বাস্থ্য বিধি চলা ফেরা ও মাস্ক ব্যবহারের উপর জোর দেন। এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। লক ডাউনের সময় অস্চ্ছল পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
সিভিল সার্জনের অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামে ২৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৭ জনের করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে। অন্যদিকে হিন্দা গ্রামে ১৩ জন ও মুজিবনগর আনন্দবাসে ৯ জন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
মাসুদ রানা/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম