বাঁচতে চায় জনি

নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের দরিদ্র ঘরের ছেলে জনি। আজ থেকে ১০ বছর আগে সুস্থ সবল ও কর্মক্ষম এক যুবক ছিল কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে এখন সে বিছানা বন্দী মৃত্যুপথযাত্রী যুবক। রিক্সা ভ্যান সাইকেল মেরামতের দোকান ছিল তার।

তার বাবা কৃষিকাজ ও ব্যবসা বাণিজ্য করতো । খুব সুন্দর একটি পরিবার ছিল কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন জনি। কাজ করতে করতে একদিন হঠাৎ তার হাত থেকে হাতুরি ছিটকে পড়ে যায়। এরপরে আস্তে আস্তে হাত পায়ের শক্তি কমে আসে। হাঁটতে পারে কিন্তু দৌড়াতে পারে না! এমন চলতে চলতে হঠাৎ একদিন পড়ে যায়। তারপর থেকে একদম বিছানা বন্দী হয়ে যায়।

বর্তমানে দীর্ঘ আট বছর যাবত সে সজ্জা অবস্থায় পড়ে আছে। বাবা-মা চিকিৎসার জন্য নিজেদের সহায়-সম্বল যা কিছু ছিল সব বিক্রি করে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করে কিন্তু তাতেও কোন ফল হয় না । সেখানকার ডাক্তার বলে তার রগের সমস্যা ইন্ডিয়াতে নিয়ে গিয়ে উন্নত চিকিতসা করালে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে কিন্তু ইন্ডিয়াতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য জনির পরিবারের নেই।

প্রতিদিন তার ঔষধ কিনতে দুইশত টাকা ব্যয় হয়, তার বাবা আগে ব্যবসা করত কিন্তু পুজি না থাকায় এখন একটি ভ্যান চালায় ভ্যান চালিয়ে প্রতিদিন ছেলের ঔষধের জন্য ২০০ টাকা জোগাড় করা এবং পরিবারের ভরণপোষণ ব্যয় করার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। তিনি নিজেও অসুস্থ ডায়াবেটিসের রোগী তারপরেও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাকে পরিশ্রম করতে হয় একদিন অসুস্থ থাকলে তার পরিবারের মুখে অন্ন জোটে না, কিনতে পারে না ছেলের চিকিৎসার জন্য ঔষধ।

জনির একটি মেয়ে আছে অসুস্থ হবার তিন মাস পর তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। অন্যত্র বিয়ে করে মেয়েটিকে রেখে যায় জনির কাছে। সে মেয়েটিও আজ বড় হয়েছে। সব মিলিয়ে এক অত্যন্ত দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে জনির পরিবার ।

জনির চিকিৎসা ব্যয় ভার বহন করতে না পেরে সমাজের বিত্তবান এবং গ্রামবাসীর কাছে হাত পেতেছেন জনির বাবা। যে যার মত সাহায্য করেছে কিন্তু তাতেও তার উন্নত চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাড় হয়নি। তাই দেশবাসীর কাছে জনির বাবার আহ্বান – যে যা পারেন তাই দিয়ে জনিকে সাহায্য করলে হয়তো তার উন্নত চিকিৎসা হবে এবং সে আবার সুস্থ জীবনে ফিরে আসবে।

তার মেয়েটি হয়তো আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখবে তারপর আবার সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে পারবে । আমরা অনেকেই বিভিন্ন ভাবে টাকা পয়সা খরচ করি। অনেকেই সিগারেট খায় , প্রতিদিন ৪০/৫০ টাকা খরচ হয়। সেখান থেকে একদিনের অপচয়ের টাকা জনির চিকিৎসার জন্য তাকে দেয়া হয় তাতে হয়তো সে উপকৃত হবে। আমরা যে যা পারি ২০ টাকা ৫০ টাকা ১০০ টাকা করেও যদি সহযোগিতা করি তাহলে অনেক উপকার হবে। তাই আসেন আমরা আমাদের সাধ্যমত সহযোগিতা করি।

জনির বিকাশ ও নগদ নাম্বার দেয়া আছে । আপনাদের সুবিধার জন্য এখানে দেয়া হল।
বিকাশ (পার্সোনাল): 01701 950 908
নগদ – 01736 952 158

রবিন খান/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর