সাতক্ষীরার তালায় এক কুমারী কিশোরী (১৩) সন্তান প্রসাব করার পর লোকলজ্জার ভয়ে নবজাককে হত্যার পরিবল্পনা নেয় স্বজনরা। কিন্তু হত্যার অগেই ঘটনাস্থলে পুলিশ হাজির হয়ে শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
ঘটনাটি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপির গ্রামের। বর্তমানে নবজাতকটি ছেলে শিশু তার নানীর তত্ত্বাবধায়নে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে নবজাতকটির পিতৃপরিচয় নিয়ে উদ্ধারকারী পুলিশ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ভিকটিম কুমারী মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নবজাতকটির পিতা একই এলাকার শাহাবুদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে হযরত আলী বিশ্বাস(২২)।
উল্লেখ্য যে, ভিক্টিম কুমারী অবস্থায় অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। এমনকি গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়েও শুরু হয় রশি টানাটানি। অবেশেষে কিশোরীর স্বজনদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গর্ভপাত ঘটানো হয় কিশোরীর।
সিদ্ধান্ত হয়,রাতেই নবজাতকটিকে হত্যার পর মাটি চাপা দেওয়া হবে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। হত্যার আগেই পাটকেলঘাটা থানার এস আই সবুজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হযরত আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি কোনভাবেই নবজাতকের পিতা নন। সর্বশেষ নবজাতকের পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করতে শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষারও দাবি জানান।
এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি। নবজাতক শিশুর মা বর্তমানে তাঁর বাবা বাড়ি তৈলকুপী গ্রামের বাড়িতে রয়েছে।
মীর খায়রুল আলম/ বার্তা বাজার/এসজে