এজিএমের অবহেলায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মেয়ের মৃত্যুর অভিযোগ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের বামন্দি সাব জোনাল অফিসের লাইন টেকনিশিয়ান আমজাদ হোসেনের মেয়ে আঁখি খাতুন (২৮) যথাযথভাবে চিকিৎসার অভাবে মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তবে রোগিকে উন্নত চিকিৎসা করানো গেলে সে বেঁচে যেত বলে অভিযোগ করেছেন তার পিতা আমজাদ হোসেন। আমজাদ হোসেন কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার বারইপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের বামন্দি সাব জোনাল অফিসের এজিএম কমের কাছে বার বার ছুটির আবেদন করলেও ছুটি না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

আমজাদ হোসেন জানান, আমার মেয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ পেটের অসুখে ভুগছিল। কম স্যারের কাছে বার বার ছুটির আবেদন করলেও তিনি ছুটি দেননি। এর আগে জিএম স্যারকে বলে ছুটি নিয়েছিলাম। আমার মেয়ের শারিরীক অবস্থার অবনতির দিকে গেলে সপ্তাহ খানেক আগে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়। এবারও বার বার ছুটির কথা বললে এজিএম কম স্যার ছুটি দেননি। পরে বুধবার রাত ৮ টা থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ডিউটি করিয়ে নিয়ে ছুটি দেয়। এরই মধ্যে আমার মেয়েকে রাজশাহী থেকে নিয়ে এসে কুষ্টিয়ায় ভর্তি করানো হয়।

তিনি অভিযোগ ককরে বলেন,োড়আমি বুধবার বেলা ১২টার দিকে ডিউটি শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়। আমি যদি নিজে থেকে ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারতাম তাহলে আমার মেয়ে হয়তো বেঁচে যেত। কিন্তু কম স্যার আমার মেয়ের চিকিৎসা করাতে দিল না।

পল্লী বিদ্যুতের বামন্দি সাব জোনাল অফিসের এজিএম (কম) শামীম রেজা জানান, করোনা কালীন সময়ে স্টাফদের ছুটির বিষয়ে সরকারী নিষেধাজ্ঞা ছিল। তারপরেও জিএম স্যারের সাথে কথা বলে তাকে একবার ছুটি দেওয়া হয়েছিল ।

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ জানান, আমজাদ সাহেবকে ফোন করেছিলাম, এটি খুব দুঃখজনক ঘটনা। উনি এর আগে আমাকে ছুটির বিষয় জানালে তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছিল । এবার আমাকে জানায়নি।

মাসুদ রানা/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর