আফগান স্পিনার মুজিব-উর-রহমানের বলে শর্ট কাভার থেকে লিটন দাসের ‘ক্যাচ’ নেন হাশমতউল্লাহ শহিদি। ফিল্ড আম্পায়ার নিশ্চিত না হয়ে আউটের ‘সফট সিগন্যাল’ দেন। ডাকা হয় তৃতীয় আম্পায়ার। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি শহিদির হাত ছুয়ে মাটি স্পর্শ করেছে। অনেকক্ষণ ধরে দেখার পরেও টিভি আম্পায়ার নিশ্চিত হতে পারছিলেন না, এটি আউট কিনা।
এক্ষেত্রে ‘বেনিফিট অব ডাউট’ সবসময় ব্যাটসম্যানের পক্ষেই যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃতীয় আম্পায়ার লিটনকে আউট ঘোষণা করেন।
এর আগেও আলিম দারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বলি হতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। লিটন দাসের এই আউট নিয়ে ভারতীয় গনমাধ্যমও নড়ে চড়ে বসেছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী পত্রিকা আনন্দবাজার ‘বল কি মাটিতে! লিটনের আউট নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলাদেশ’ শিরোনামে লিটন দাসের আউট নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপিয়েছে।
প্রতিবেদনটি হুবহু তুলে ধরা হল-
বাংলাদেশের ওপেনার লিটন দাসের আউট নিয়ে বিতর্ক। আজ, সোমবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৪.২ ওভারে আফগান স্পিনার মুজিবের বলে কভারে ক্যাচ দেন লিটন।
সেই ক্যাচ নিয়েই যত বিতর্ক। হাসমাতুল্লাহ শাহিদি ঝাপিয়ে পরে সেই ক্যাচ তুলে নেন। কিন্তু মাঠের আম্পায়ার মাইকেল গফ ও রিচার্ড কেটেলবরো সেই ক্যাচ নিয়ে দ্বিধায় পড়েন।তৃতীয় আম্পায়ার আলিম দারের সাহায্য চান তাঁরা। আলিম দীর্ঘ সময় ধরে রিপ্লে দেখার পরেও আউট দিয়ে দেন লিটনকে।
টিভিতে লিটনের ক্যাচ দেখে মনে হয়েছে,ক্যাচ লোফার আগে বল মাটি ছোঁয়।বাংলাদেশের সমর্থকরাও লিটনের আউটের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি। তাঁরা মনে করেন আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। বল মাটি ছোঁয়ার পরেই শাহিদির হাতে এসেছে।
সেমিফাইনালের পাসপোর্ট জোগাড় করার জন্য আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের কাছে। আফগানদের হারানোর কিছুই নেই। তারা আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছে।