শেরপুরে বাজারে মৌসুমি ফলের সমাহার

‘মিষ্টি ফলের রসে ভরা মধুমাস’। বছরজুড়ে কমবেশি ফল পাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় বৈশাখের শেষ সময়ে এবং জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরু থেকে এবারো বাজারে দেখা মিলেছে রসালো ফল আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, তরমুজ, ডেউয়া, লটকন, জাম ইত্যাদি। ফলের এই মৌ মৌ ঘ্রাণে জ্যৈষ্ঠ মাস হয়ে উঠেছে মধুময়। সেই সঙ্গে মিলবে তৃপ্তিও। গ্রামের মানুষ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আম-কাঁঠালের উপহার পাঠিয়ে থাকে এই জ্যৈষ্ঠেই। শহরেও ফলের উৎসব এখন।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা বিভিন্ন ফলের দোকানগুলোয় নজর কাড়ছে এখন গ্রীষ্মের মৌসুমি ফল।

১০ জুন বৃহস্পতিার শেরপুর শহরের বাসষ্ট্যান্ড, রেজিষ্ট্রি অফিস, শেরুয়া বটতলা, মিজাপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি ফল সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। বাজারে বর্তমানে ল্যাংরা, ক্ষিরসা, আম্রপলি, হাড়িভাঙ্গা, গোপালভোগ, গোলাপবাস আমদানি বেশি। গত বছরের তুলনায় এবার আমের দামও অনেক কম। যে আম আগে ৮০ টাকা কেজি ছিল সেই আম এবার ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে শেরপুরের বাজারে ল্যাংরা ৫০, ক্ষিরসা ৭০, গোপালভোগ ৬০, হাড়িভাঙ্গা ৬০ ও গোলাপবাস ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পক্ষান্তরে লিচুর দাম অনেটাই বেড়েছে। প্রতি ১’শ তে চায়না থ্রি ৯০০, বোম্বে ৭৫০ ও দেশী জাতের লিচু ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মৌসুমী ফল বিক্রেতা শাহ আলম, জিয়া উদ্দিন ও আব্দুল মোমিন বলেন, আামদের শেরপুরে যত আম আসে সবগুলো রাজশাহী থেকে আসে। এবার সেখানে প্রচুর আম উৎপাদন হয়েছে। তাই এবার আমের দাম কম। এছাড়াও করোনা ভাইরাসের কারণে সেখানে দুর থেকে কোন ব্যবসায়ী ফল কিনতে যেতে পরেনি। তাই শেরপুরে আমদানি বেশি হওয়ায় দাম অনেকটা কমেছে।

এদিকে দাম যেমনই হোক পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতারাও খুশি মৌসুমি ফলের স্বাদ নিতে পেরে। ক্রেতাদেরও রয়েছে আগ্রহ। বিশেষ করে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজ সবই এখন বাজারে বিদ্যমান। ক্রেতারাও তাই বেশ খুশি।

কথা হয় ফল ক্রেতা জুলফিকার আলী পলাশের সাথে, তিনি বলেন, এবার সব ফল যেন এক সঙ্গেই এসেছে। অন্যান্য বার প্রতিটি ফল কিছু সময় পরপর এলেও এবার আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, তরমুজ সবই এখন বাজারে। এটা বেশ ভালো। তাই বেশকিছু ফল কিনেছি। আর আশা করি সামনে আরও সরবরাহ বাড়বে এবং তখন ফলের দাম আরও কমবে।

রাশেদুল হক/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর