ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর সভার সোহাতা গ্রামের নূর মোহাম্মদ মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে মনির হোসেনের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী মনিরা আক্তার বন্যা নগদ টাকা পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে।
সরেজমিন ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কনিকাড়া সরকার বাড়ির সহিদ সরকারের ছোট মেয়ে মনিরা আক্তার বন্যার সাথে নবীনগর পৌরসভার সোহাতা গ্রামের নূর মোহাম্মদ মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে মনির হোসেনের সাথে বিগত ২২/০১/২০১৪ সালে ইসলামি শরীয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহিত দম্পতির তাবাসসুম নামক ৫ বছরের কন্যা সন্তান এবং তাসকিন ও তাসফিয়া নামক সাড়ে ৩ বছরের জমজ পুত্র সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে স্বামী মনির হোসেন দুবাই প্রবাসে চলে গিয়ে স্ত্রী সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে উপজেলা সদরের কলেজ পাড়ায় জায়গা ক্রয় করে একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেন। স্বামী প্রবাসে থাকার সুবাদে মনিরা আক্তার বন্যা তার পিত্রালয় কনিকাড়া অবস্থান করিয়া পাশের বাড়ির মালদ্বীপ ফেরত মনিরুল হকের ছেলে আশানূরের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরকীয়ার জেরে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠলে শুক্রবার (২৮মে) রাত ১১টায় তারা আপত্তিকর অবস্থায় গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়েন। এবিষয়ে( ৩০শে মে) গ্রাম্য বিচার শালিস হবে মর্মে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় আশানূরকে ছেড়ে দেয়া হয়।কিন্তু বিচারকার্য হওয়ার আগের দিন(২৯মে) তারা রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে নবীনগর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করতে চাইলে ঘটনার বর্ণনা শুনে থানা প্রশাসন সঠিক পরামর্শ দিয়ে প্রকৃত অপরাধের ধারা অনুযায়ী মামলার করার কথা বলেন। এতে মনিরা আক্তারের পিতা সহিদ সরকার বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজের মেয়েসহ ৪ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন।
তবে তিন সন্তানের জননী মনিরা আক্তার বন্যা নিজেই স্বীকার করলেন তার পরকীয়ার কথা।
তবে কথা কিন্ত রয়ে গেলো? কি দোষ ছিল তার তিনটি অবুঝ শিশুর? কি দোষ ছিল দুবাইপ্রবাসী স্বামী মনির হোসেনের
এ বিষয়ে দুবাই প্রবাসী স্বামী মনির হোসেনের আর্তনাদ ছিলো আমার স্ত্রী ভুল করলেও সন্তানদের জন্য আমি তাকে মেনে নিব। এরপরও যেন আমার সন্তান গুলো এতিম না হয়।
আক্তারুজ্জামান/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম