শব্দদূষণ প্রতিরোধে আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজধানীর আগারগাঁওকে পরীক্ষামূলকভাবে নীরব এলাকা হিসেবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আশরাফউদ্দিন জানিয়েছেন এটা বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
বুধবার (০৯ জুন) বুধবার (৯ জুন) পরিবেশ অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সাংবাদিকদের/গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মহাপরিচালক মো. আশরাফউদ্দিন বলেন, এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অন্য এলাকায় একই কার্যক্রম পরিচালিত করা হবে। হাইড্রলিক হর্নের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, পাঠ্যপুস্তকে শব্দদূষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা, আইনের কঠোর প্রয়োগ, শিল্প-কারখানায় সহায়ক উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ আমরা পেয়েছি। এ সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে আমরা সচেষ্ট থাকবো।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নানাবিধ দূষণে জর্জরিত। শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, মাটিদূষণ ইত্যাদি বর্তমানে তীব্রতর আকার ধারণ করেছে। নগর জীবনে শব্দদূষণ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, শব্দের মাত্রা ৫৫ ডেসিবেলের বেশি হলেই তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
তারা বলেন, শ্রবণক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ঝুঁকির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও শব্দদূষণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। এজন্য প্রয়োজন এ বিষয়ে তথ্য দেওয়া। এক্ষেত্রে মিডিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
বার্তা বাজার/এসজে