বগুড়ার ধুনটে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় সুলতানা জাহান (৩৭) নামের এক আওয়ামী লীগ নেত্রীকে লাঞ্ছিত করা অভিযোগ উঠেছে একই দলের আরেক নেতার স্ত্রীর নামে। বুধবার (০৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকনের সরকারি বাসভবনে এই ঘটনা ঘটে।
লাঞ্ছনার শিকার সুলতানা জাহান উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। এই ঘটনায় তিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন।
দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপেজলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন মাসখানেক আগে সুলতানা জাহানের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ধার নেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে তার সরকারি বাসায় যান সুলতানা। তখন বাসাতেই ছিলেন আব্দুল হাই খোকন। টাকা চাওয়ায় তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা ক্ষুব্ধ হয়ে সুলতানা জাহানকে গালাগালি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে আঞ্জুয়ারার হুকুমে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান আওয়ামী লীগ নেত্রী সুলতানা জাহানকে টানা-হেঁচড়া ও গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম রনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুলতানা জাহানকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় সুলতানা জাহান বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান ও আঞ্জুয়ারাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হাসান বলেন, সুলতানা জাহান উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসার নিচ তলায় প্রবেশ করে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তাকে লাঞ্ছিত করা হয়নি। তারপরও থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, আওয়ামী লীগ নেত্রী সুলতানা জাহানের অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে