ছাগলে ফুলগাছ খাওয়ায় মালিককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা শারমিনকে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৮ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে ঢাকায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে ন্যস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (০৯ জুন) দুপুরে তাকে বদলির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার জেলা প্রশসাক জিয়াউল হক। তিনি জানান, ওই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কোনো বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় ঠিক নয়। ওই ইউএনও বদলি হয়েছেন। তাকে স্থানীয় সরকার বিভাগে বদলি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গতকাল মঙ্গলবার এসেছে। এটা নিয়মিত বদলি বলা যায়।
এর আগে গত ১৭ মে ফুলগাছ খাওয়ার অভিযোগ একটি ছাগলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন ইউএনও সীমা শারমিন। এর ৯দিন পরে ছাগলের মালিক সাহারা বেগমকে না জানিয়ে সেটি বিক্রি করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।
পরে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ২৬ মে এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ হয়। বাধ্য হয়ে পরদিন (২৭ মে) জরিমানার টাকা ও ছাগল সাহারা বেগমের কাছে ফেরত দেন ইউএনও নিজে।
তখন ইউএনও বলেছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান, স্থানীয় সাংবাদিকদের ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই নারীকে ছাগল ফেরত দেয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা আমি দিয়েছি। তাকে সংশোধনের জন্য জরিমানা করেছিলাম, শাস্তি দেয়ার জন্য নয়।
ছাগল বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ছাগলটি একজনের জিম্মায় দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনার দেশজুড়ে তোলপার হওয়ার পর তার বদলির আদেশ বগুড়ায় এসে পৌঁছেছে।
এ বিষয়ে জানতে বুধবার (০৯ জুন) দুপুরে ইউএনও সীমা শারমিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা শারমিনের সাথে যোগাযোগ করতে মুঠোফোনে একাধীকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বার্তা বাজার/এসজে