আবারো খুলনায় ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাসের দাপট । প্রতিনিয়ত দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।
মঙ্গলবার (৮ জুন) খুলনার করোনা হাসপাতালে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতরা হলেন- শরণখোলার আব্দুল হাই শিকদার (৮০), ফুলতলার আব্দুল মালেক (৭৫), কয়রার আয়জান বেগম (৭৫),যশোরের কাজী সাইদুর রহমান (৭৪), মোড়েলগঞ্জের সেলিম জমাদ্দার (৬৫) এবং ফুলতলার তুষার কান্তি (৫৮)। এ নিয়ে খুলনার করোনা হাসপাতালে ২৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনার করোনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে বাগেরহাটের শরণখোলার বানিয়াখালী এলাকার আব্দুল হাই শিকদার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত অবস্থায় সোমবার (৭ জুন) হাসপাতালে ভর্তি হন।
সে সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যশোর সদরের বাসিন্দা কাজী সাইদুর রহমান মারা যান। এদিন বিকেল পৌনে ৩টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের কেয়ারবাজার এলাকার বাসিন্দা সেলিম জমাদ্দার মারা যান।
এছাড়া দুপুর পৌনে ১টার দিকে খুলনার ফুলতলা উপজেলার বানিয়া পুকুর এলাকার বাসিন্দা তুষার কান্তি মারা যান। তিনি ৪ জুন খুলনার করোনা হাসপাতালে ভর্তি হন।
একই সময়ে করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আয়জান বেগম নামে আরেক রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি খুলনার কয়রা উপজেলার ষোলহালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের স্ত্রী। ৬ জুন তিনি করোনায় আক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টায় করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল মালেক নামে আরেক রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি খুলনার ফুলতলা উপজেলার বাসিন্দা। ৫ জুন তিনি খুলনা করোনা হাসপাতালে ভর্তি হন।
খুমেকের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, মঙ্গলবার রাতে পিসিআর মেশিনে ২৭৯ নমুনায় ৮১ জনের পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে খুলনার ১৯৩ নমুনায় ৩৯ জন শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বাগেরহাটের ২৬ জন, যশোরের ২জন, পিরোজপুরের ২জন, গোপালগঞ্জের ১জন ও ঝিনাইদহের ১জন রয়েছেন।
বার্তা বাজার/কা.হা