করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত। পূর্বঘোষিত ১৩ জুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। যার ফলে আরও এক দফায় স্কুল-কলেজের ছুটি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টজনরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিকও উচ্চ শিক্ষা সচিব মাহবুব হোসেন জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে। এক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামা জরুরি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন (বিধিনিষেধ) বাড়ানো হয়েছে। এই অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে পুনরায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে ১৩ জুন খোলার বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে কি না কিংবা খোলা কতটা যৌক্তিক হবে তা নিয়ে রয়েছে নানান মতামত। এক সপ্তাহ আগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, সরকারের ঘোষিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। শেষ প্রস্তুতি হিসেবে স্কুল-কলেজ পরিষ্কার করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে পরিস্থিতির উপর।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরতের পরিচালক অধ্যাপক বেলাল হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সরকারের নীতি নির্ধারকদের ব্যাপার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব ধরনের প্রস্তুতিই আমাদের আছে।
সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। চলতি বছরের অপেক্ষমাণ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস নেয়া হবে। অন্যদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়া হবে।
আরেক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশে নেমে এলে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। বর্তমানে সেটি ঊর্ধ্বগতি হওয়া ও লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোয় আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি।
বার্তা বাজার/এসজে