কুষ্টিয়া চিনিকল থেকে ৫২.৭ টন চিনি উধাও

কুষ্টিয়া চিনি কলের গুদাম থেকে ৫২.৭ মেট্রিক টন চিনি গায়েব হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়টি টের পাওয়ার পর স্টোর কিপার ফরিদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) কল্যান কুমার দেবনাথকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া সুগারমিল সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন মিলের স্টেটমেন্ট দেখার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ৩ তারিখে রিপোর্ট জমা দেয় উর্দ্ধতন কর্মকর্তার কাছে। স্টেটমেন্টে ১২১ টন চিনি থাকার কথা থাকলেও সেখানে প্রায় ৫৩ টন ঘাটতি দেখা যায়। ঘাটতি থাকায় দায়িত্বরত স্টোর কিপার ফরিদুল হককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাকিবুর রহমান খান বলেন, স্টোরে চিনির হিসাব করার জন্য প্রথমে দুই জুন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির ৩ জুন রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায় প্রায় ৫৩ টন চিনির ঘাটতি রয়েছে। এঘটনায় ৩ তারিখেই স্টোর কিপার ফরিদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রথমিকভাবে তার অপরাধ পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিবেন। আমরা বিষয়টি সদর দপ্তরকে জানিয়েছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন বৃহস্পতিবার বিষয়টি টের পাবার পর গঠিত তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। কীভাবে এই চিনি সরানো হলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করা হবে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী জড়িত হলে স্টোর ফরিদুলের বিরুদ্ধে আরো কঠোর প্রদক্ষেপ ও অন্য কেউ জড়িত হলেও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এসময় তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে অফিসের বাইরে যাবেন বলে আর কথা বলতে রাজি হন না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য কর্মকর্তারা নামাজে গেছেন তারা এসে আপনাদের তথ্য দেবে, আমি বলে দিয়েছি। কিন্তু ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিনিকল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর নামাজ শেষে অন্যান্য কর্মকর্তারা ও কোন কথা না বলে অফিস থেকে বেরিয়ে যান। সাংবাদিক পরিচয় দিলেও তারা কোন কথায় কান দেননি।

টুটুল/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর