বাঁশির সুরে জীবন চলে
বাঁশিতে সুরের মূর্ছনা। যেন সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সবুজ ছায়ায় ঘেরা গ্রামীণ জনপদের আড্ডা বা অনুষ্ঠানে বাঁশিতে সুর তোলেন মোঃ আব্দুল হক মিয়া। ৬০ বছর বয়সী একজন বাঁশিপ্রেমিক। শখের বসে শিখেছেন বাঁশি বাজানো। আর বর্তমানে বাঁশির সুরেই তাঁর জীবন চলে।
বাঁশিপ্রেমিক আব্দুল হক মিয়ার বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ৭ নং শরিষামুরি ইউনিয়নে।
পরিবারের আর্থিক অসংগতিতে অভাব মাথায় নিয়েই যেন জন্ম নিয়েছেন মোঃ আব্দুল হক মিয়া। দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়ার সুযোগ হয়নি তাঁর। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য কৈশোর থেকেই বিভিন্ন কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। কিন্তু পরিবারের দারিদ্র্য ঘোচেনি।
ছোট থেকেই বাঁশির প্রতি দুর্বলতা মোঃ আব্দুল হক মিয়ার । কেউ বাঁশি বাজালে মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। প্রতিটি ক্ষণে যেন তাঁর হৃদয়ে বেজে ওঠে বাঁশি। বেড়ে ওঠার পর থেকেই বাঁশি বাজানোর চেষ্টা চালান তিনি।

শখের বসে শেখা বাঁশি ঘিরেই এখন তাঁর জীবন। পাড়ার আড্ডায়, চায়ের দোকানে, বিয়ে বাড়ি বা যেকোনো অনুষ্ঠানে বাঁশি বাজান মোঃ আব্দুল হক।
এতে খুশি হয়ে অনেকেই তাঁকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। বরগুনা, বেতাগী, চান্দখালী বাজার, সহ বিভিন্ন উপজেলায় বাঁশি বাজান তিনি। বিশেষ করে গ্রামীণ অনুষ্ঠানগুলোতে চোখে পড়ে তাঁকে। এ ছাড়া পাড়ার সংগীত দলের হয়েও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাঁশি বাজান তিনি। এ জন্য কিছু পারিশ্রমিক মেলে।
অন্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করতে গেলে বংশীবাদক হিসেবে কদর থাকে না। এ জন্য বাঁশিকেই বেছে নেন জীবিকা হিসেবে। সম্প্রতি বেতাগী উপজেলার চান্দখালী এলাকার কথা হয় আব্দুল হক মিয়ার সাথে ।
মেহেদী হাসান/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম