বাগেরহাট সদরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ঘুরে ঘুরে মাইকিং করে বিক্রি করা হচ্ছে ইলিশ। কোটা ইলিশ অর্থাৎ কেটে টুকরা করে রাখা এই মাছ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০ টাকা কেজি দরে। দামে সস্তা ও কোটার ঝামেলা না থাকায় অনেকেই কিনছেন এই মাছ।
তবে সস্তা এই ইলিশ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ দেখছেন অনেকে। তারা দাবি জানাচ্ছেন এই কোটা মাছ আসলে স্বাস্থ্যসম্মত কি-না? তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) সকালে বাগেরহাট সদরের রেলরোডে মমতাজ হোটেলের সামনে একটি অটোরিকশায় মাইকিং করে বিক্রি করতে দেখ যাচ্ছে এই ধরণের ইলিশ মাছকে। আশেপাশের ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের লোকজন সেই মাছ ক্রয়ের জন্য ভিড় করছে অটোরিকশার পাশে। কেউ কেউ কিনছেনও।
এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বাগেরহাট শাখার সভাপতি বাবুল সরদার বলেন, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ২০০ টাকা কেজি দরে ইলিশ মাছ বিক্রির প্রশ্নই ওঠে না। কেন এত কমদামে এই ইলিশ বিক্রি করছে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা গ্রুপ কোনো অসৎ উদ্দেশ্যেও কম দামে খাবার অযোগ্য ইলিশ বাজারে পাঠাতে পারে।
এদিকে বাগেরহাট সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদাউস আনছারি বলেন, বাগেরহাট ও খুলনা শহরে মাইকিং করে কোটা ইলিশ বিক্রি করছে কেউ কেউ। এর পরিমাণ খুব কম। আমাদের ধারণা কোল্ডস্টোরে থাকা দীর্ঘ দিনের ইলিশ মাছ এভাবে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আমরা এই কোটা ইলিশের স্যাম্পল সংগ্রহের চেষ্টা করছি। স্যাম্পল সংগ্রহ করে এই ইলিশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। যদি মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তারকারী কোনো উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যায়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা বাজার/এসজে