সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে এক নারী পুলিশ সদস্যের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় দায়ের করা মামলায় হৃদয় নামে এক এক যুবককে আটক করা হয়েছে। আটককৃত হৃদয় ওই নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমিক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) দিনগত রাতে ফতুল্লা মাডেল থানায় ওই চুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। শুক্রবার (০৪ জুন) নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার পুলিশ লাইনে এসএএফ শাখা কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ওই নারী নারায়ণগঞ্জের চাঁনমারী এলাকার বাসিন্দা। আর অভিযুক্ত হৃদয় খানের বাড়ি ঢাকার মগবাজার এলাকায়। আত্মীয়তার সূত্রে পরিচয় তাদের, পরবর্তীতে হয় প্রেমের সম্পর্ক।
একারণে মাঝে মাঝে ভিডিও কলে আলাপ হতো তাদের। হৃদয় খান তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গভীর করে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত ভিডিও ফুটেজ আদান-প্রদান হয়, যা হৃদয় তার মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করে রাখে।
আরও জানা যায়, হৃদয় তার অজান্তে তার সাথে কাটানো একান্ত সময়ের কিছু ঘনিষ্ট মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেছিল। পরে যখন হৃদয়ের সাথে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় তখন সে তার জি-মেইলের কন্ট্রোল নিয়ে সেখান থেকে মোবাইল ফোনের যাবতীয় নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকের তথ্য সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে হৃদয় কৌশলে বিভিন্ন পুলিশ সদস্যের মোবাইল নম্বর দিয়ে বিডি পুলিশ নামের একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ খোলে।
মামলার এজাহারে ওই নারী পুলিশ সদস্য জানান, ২ জুন ছুটি পেয়ে নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে আসি এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হোয়াটস অ্যাপ চালু করে দেখি বিডি পুলিশ নামের ওই গ্রুপে হৃদয় গোপন ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে