ফরিদপুরের মধুখালীতে ১৪ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) রাতে ওই কিশোরীর পিতা অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জগন্নাথদী গ্রামের হারান শেখের ছেলে হৃদয় শেখ (২২) দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছে।
এ বিষয়ে ওই কিশোরী জানান, ‘হৃদয় শেখ আমাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ে করতে চেয়ে স্বপ্ন দেখাতো। অনেক সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যেতো। আমার নিকট থেকে টাকা নিত এবং আমাদের বাড়ির পাশে একটি লিচুর বাগানে দেখা করার জন্য বলতো। আমি সেখানে হৃদয় শেখের সাথে দেখা করতে গেলে শারীরিক সম্পর্কের প্ররোচনা দিতে থাকে। কিন্তু হৃদয় আমাকে বিয়ে করে না। এরপর হৃদয় তার বাড়িতে আমাকে যেতে বলে। আমি রোজার আগে হৃদয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে হৃদয়সহ তার পরিবারের সদস্যরা আমাকে মারধর করেন। পরবর্তীতে আমি বাড়ি চলে আসি। আমি এখন ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
অভিযুক্ত হৃদয় শেখের সাথে দেখা করতে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে হৃদয় শেখের পিতা-মাতা জানান, হৃদয়ের সাথে ওই মেয়েটির সম্পর্ক জানতে পেরে আমরা হৃদয়কে রাগ করি। এরপর থেকে আমার ছেলে ওই মেয়ের সাথে সম্পর্ক রাখেনি। পরবর্তীতে ওই মেয়েটির পরিবারের সাথে কথা বলে আমার ছেলেকে অন্য একটা মেয়ের সাথে বিবাহ দেই।
মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে মধুখালী থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
মিয়া রাকিবুল/বার্তাবাজার/পি