বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, অসুস্থ খালেদা জিয়াকে ডাক্তাররা বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিলেও, সরকার সুযোগ দিচ্ছে না।
বুধবার (২ জুন) দুপুরে জজকোর্টে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, চিকিৎসা সেবা পাওয়া খালেদা জিয়ার সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেটা নাকচ করছে। চিকিৎসকরা বলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য উন্নত কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া উচিত। সরকার যা চায় বিচার তাই হয়। আমরা যারা রাজনীতি করি ও সাধারণ মানুষ সম্পূর্ণভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।
আওয়ামী লীগ জনগণের কথা না ভেবে শোষণের রাজনীতি করছে অভিযোগ করেন তিনি বলেন, করোনার এই দুঃসময়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার তা হলো দিন আনে দিন খায় মানুষের জন্য সহায়তা। পত্র-পত্রিকায় বেরিয়েছে যে, করোনা মহামারির ফলে দরিদ্র হয়ে গেছে, দারিদ্র্যসীমার নিচে এসেছে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ। আগের দরিদ্র তিন কোটি। তার মানে প্রায় ৬ কোটি মানুষ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে। এই মানুষগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে, অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে, অবশ্যই তাদের দরিদ্রদের টাকা পাঠাতে হবে। সরকার মনগড়া প্রবৃদ্ধির হার দেখিয়ে উন্নয়নের কথা বলছে। যাদের ইন্ডাস্ট্রি-টিন্ডাস্ট্রি আছে তাদেরকে আবারো প্রণোদনা দিচ্ছে। এই যে দিন আনে দিন খায় মানুষগুলো, তাদেরকে কিছুই দিচ্ছে না।
মির্জা ফখরুল জানান, বড় বড় দালাল তৈরি করছেন আর বলছেন উন্নয়ন। মনগড়া প্রবৃদ্ধির হার দিচ্ছেন আর বলছেন, উন্নয়ন। উন্নয়ন সেটা নয়। উন্নয়ন হচ্ছে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়, সে যেন ভালো খেতে পায়, বাচ্চাদের লেখাপড়া করাতে পারে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিক থাকে, সেটাকে বলে উন্নয়ন। এমন উন্নয়ন করেছেন, হাসপাতালে বেড নেই। একটা হাসপাতাল বানিয়েছেন কোভিডের সময়ে, ওইটা রাতের মধ্যে উধাও হয়ে গেল! ব্যবসা, আবার নতুন করে নতুন কমিশন পাবে। এটা তো কমিশন এজেন্ট সরকার, জনগণের সরকার না।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম