রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তি চরমে!
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার অধিকাংশ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এবং রাস্তাগুলোর কার্পেটিং উঠেগিয়ে ছোট-বড় খানাখন্দকে পরিণত হওয়ায় চলাচলে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ।
এমনকি উপজেলর বেশ কিছু রাস্তা দেখে বুঝার উপায় নেই কোনটা পাকা-কোনটা কাঁচা রাস্তা। আর এই কারণে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পাড়েছে ঐ সকল রাস্তাগুলো। যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই উপজেলার হাজার হাজার মানুষদের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ৬ ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তাগুলোর কাপের্টিং উঠে গিয়ে ছোট বড় খানা খন্দকে পরিণত হয়েছে। এমনকি রাস্তার দু’ধারের মাটি সরে গিয়ে রাস্তাগুলো ভেঙে পড়েছে। ফলে এ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগের মাধ্যম ব্যাটারিচালিত অটো, ভ্যান ও মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এছাড়াও উল্লেখযোগ্য, উপজেলা সদরে অবস্থিত ৫নং চারঘাট ইউনিয়ন এলাকাধীন ৪নং ওয়ার্ডের মিলিক গওরা, ৬নং ওয়ার্ডের পরানপুর বাজারের পাশদিয়ে যাওয়া রাস্তায় জলাবদ্ধতা এবং ৮নং ওয়ার্ডের তিননাম্বার পিরোজপুর গ্রামে যাতায়াতের প্রধান রাস্তাটি মাটির হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এই সকল রাস্তাগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা না থাকায় বছরের পর বছর মানবেতর জীবন যাপন করছে এইসব এলাকার মানুষজন।
পথচারীর নুর এ ডাবলু বার্তাবাজারকে বলেন, রাস্তা ভাঙ্গা তাই গাড়ি যেতে চাইনা, গেলেও কখনো কখনো ভাড়া দিগুণ বা তারও বেশি দিতে হয়। এমন কি “কোনো গর্ভবতী নারীকে এই সড়ক দিয়ে মেডিকেলে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিপদ নেমে আসবে নিশ্চিত” তাই অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ৫নং চারঘাট ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বার্তাবাজারকে জানান, ভোগান্তির কথাটি আমরা জানি। এই মুহুর্তে কোনো বরাদ্দ না থাকায় সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না কবে নাগাদ এই সমষ্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। তবে আমাদের মাথায় আছে এবারের নতুন বাজেটে কিছু একটা করার চেষ্টা করবো।
মোঃ নবী আলম/বার্তাবাজার/ভিএস