নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে স্থানীয় সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির নিহতের ঘটনায় মামলায় ইকবাল বাহার ও সিরাজুল হক ওরফে আবুল হাশেমকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। তাদের জামিনের আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ মে) বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহীনুর বেগম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।
এর আগে গত ১৮ মে বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিন ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ ইকবাল বাহারের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।
এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা এবং তার বিরোধীপক্ষ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেখানে স্থানীয় সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ মার্চ কাদের মির্জার অনুসারী মো. ইকবাল বাহার ও সিরাজুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এ মামলায়। এর আগেই গত ১৩ মার্চ ইকবাল বাহার ও ১৬ মার্চ সিরাজুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ অবস্থায় ইকবাল বাহার ও সিরাজুল হককে ব্যবসায়ী দাবি করে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট তাকে জামিন দিতে রাজি হননি। আদালত তাদের আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজের আদেশ দেন।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম