টাঙ্গাইলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু
টাঙ্গাইলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তিন দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। সোমবার (৩১ মে) বেলা ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের আয়োজনে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি টাঙ্গাইলের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক দুলাল উদ্দিন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার বলেন, এই প্রকল্প মাননীয় কৃষিমন্ত্রী অগ্রধিকার ভুক্ত প্রকল্প। বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে তেল ফসল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবাদি প্রধান তেল ফসলসমূহ হচ্ছে সরিষা, তিল, চীনাবাদাম, সূর্যমুখী ও সয়াবিন। প্রায় ৪.৮৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে এসব ফসলের চাষ হয় এবং প্রায় ৬.৬১ লক্ষ মে.টন ভোজ্য তেল উৎপাদিত হয়। এ উৎপাদন দেশের প্রয়োজনের তুল মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ তেল ও তেলবীজ আমদানি করা হয়। তেলের ঘাটতি পূরণের জন্য দেশে তেল ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। উফশী জাতসমূহ এবং চাষাবাদের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তেল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
ভোজ্য তেলের আমদানী নির্ভরশীলতা হ্রাস করতে গবেষণালব্ধ তেল জাতীয় আধুনিক জাতসমূহ চাষাবাদ ও উৎপাদন এলাকা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি তেলজাতীয় ফসল পুষ্টিতে ভরপুর। বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা অত্যাবশ্যক।
একক ফসল, আন্ত:ফসল, মিশ্রফসল, ফসলধারা ভিত্তিক তেলজাতীয় ফসলের অনুপ্রবেশ ঘটানোর মাধ্যমে উৎপাদন এলাকার সম্প্রসারণ ও সামগ্রীক উৎপাদন বৃদ্ধি এবং তেলজাতীয় ফসলের আধুনিক জাতসমূহ ব্যবহার, উন্নত বীজ ও প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে একক উৎপাদন বৃদ্ধি করে জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা ও তেলের ঘাটতি অনেকটাই মিটানো সম্ভব।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩০ জন উপ-সহকারী-কৃষি-কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
হাসান সিকদার/বার্তাবাজার/পি