তেঁতুলিয়া থানার ওসি আবু ছায়েম যোগদানের পর পাল্টে গেছে গোটা থানা চিত্র

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থানার সুনামধন্য ওসি আবু ছায়েম মিয়া। তিনি তেঁতুলিয়ায় আসার পরই পাল্টে যায় গোটা থানা চিত্র। পুলিশ শাসক নয়, শোষক নয়, পুলিশ জনগণের সেবক। এই মন্ত্রে উজ্জীবিত এখন পুরো তেঁতুলিয়া মডেল থানার পুলিশের সকল সদস্য। তাই হ্রাস পেয়েছে পুলিশ কর্তৃক মানুষের হয়রানি। ন্যায় বিচারের মূলে পুলিশের নিরপেক্ষতা এবং সততা। এর সাথে জড়িয়ে রয়েছে দেশের অন্যতম একটি বাহিনীর ভাবমুর্তি। একমাত্র এ বাহিনীটিকেই জনসাধারণের সংস্পর্শে যেতে হয়, পেশাদারিত্বের স্বার্থে। তাই অনেক সময় বিভিন্ন কারনে বা অকারনে লোভ ও লালসার বশবর্তী হয়ে পড়েন অনেক পুলিশ সদস্য। এ সব বিষয় বিবেচনা রেখেই সাহসী কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি আবু ছায়েম মিয়া।

সকল শক্তি অপশক্তিকে উপেক্ষা করে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিক্তিতে থানার সকল সমস্যা দুরিকরণের জন্য জনসাধাণের স্বার্থে যথেষ্ঠ কাজ করে যাচ্ছেন। ওসি আবু ছায়েম মিয়া ওই থানায় আসার পর থেকেই তার কাজের সাফল্য ধারাবাহিকতা-সাফল্য স্বাক্ষী হয়ে থাকবে তেঁতুলিয়ার ইতিহাসে। ইতি মধ্যে তিনি সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জয় করে নিয়েছেন অভিভাবক মহলের মন। গোটা তেঁতুলিয়া উপজেলার যুব সমাজ মাদকের ছোবলে ধব্বংশের দ্বার প্রান্তে যেন না যায়, সে জন্য রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষনা করে দিয়েছেন। তাঁর দুরদর্শিতার ফলে উদ্ধার হয়েছে অনেক মাদক দ্রব্য। এবং আটক হচ্ছে অনেক মাদক ব্যবসায়ী। পরিবর্তন এসেছে সকল ক্ষেত্রে। তার দক্ষ তদারকিতে পেশাদারিত্ব আসে মাঠ পর্যায়ে সদস্যর মাঝেও। পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিনের অভিযোগ-অপবাদ লাঘবে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি আবু ছায়েম মিয়া বিচক্ষণতা অনেকাংশেই প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি আসার পর থেকে সাধারণ জনতার মাঝে দীর্ঘ দিনের যে, সংশয় ছিল ভয়, পুলিশ সহযোগীতার কাজে টাকা লাগে, এ সংশয়ও তিনি কাটিয়ে দিয়েছেন চিরতরে। তিনি যোগদানের পর থানায় বন্ধ হয়ে গেছে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা, কমে গেছে অকারনে জিডি’র প্রবনতা। সাধারণ মানুষের ভয় কেটে গেছে পুলিশের প্রতি, সেবা প্রাপ্তির লক্ষে পুলিশের দ্বারস্ত হচ্ছে এখন মানুষ। ওসি আবু ছায়েম মিয়া থানা কর্মকর্তাদের নিয়ে সময়ে সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তদারকিসহ অফিসারদের কাজে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। এতে করে পুলিশি হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষের অনেকটাই মুক্তি মিলছে। এ সব কারণে ওসি আবু ছায়েম মিয়া সবার মাঝ ভালো অফিসার হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।

তিনি যেমন প্রান্তিক নিপীড়িত অসহায় মানুষের কথা যেমন মন দিয়ে শোনেন, তেমনি সেবা সহযোগীতার হাতও বাড়িয়ে দেন কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে। মিষ্টি হেসে মানুষের সাথে কথা বলা, সাধারণ জনগণের জন্য ওসির দরজা খোলা রাখা। সেবারুপ বৃদ্ধি করে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। পুলিশের প্রতি নির্ভরশীতার অভাবে অনেক মানুষেরই ছোট খাটো কোন বিষয় নিয়ে পুলিশের কাছে যেতে অনিহা ছিল। অনেকে নিরবে- নিবৃত্তে প্রভাবশালীদের জুলুম অত্যাচার- নির্যাতন সহ্য করে গেছেন। এতে করে অপরাধীর অপরাধ মাত্রা ছাড়িয়েছিল। এসব সামাজিক সমস্যা নিরসনে ওসি আবু ছায়েম মিয়া তার অফিস কক্ষে নিয়মিত সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনে থাকেন। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেওয়ায় অপরাধীর উৎসাহে অনেকটাই ভাটা পড়েছে এখন। ওসি আবু ছায়েম মিয়ার সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, মানুষের সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। ওসি হিসেবে যতদিন কর্মরত আছি,ততদিন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিরলসভাবে আমার দায়িত্ব পালন করব।

এসএম আল-আমিন/বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর