নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছয় অনুসারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসক আবু নাছের জানান, ছররা গুলিতে আহত সাতজনকে জরুরি বিভাগ থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২)।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল অভিযোগ করেন, ৯নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, আদর্শপাড়া ও শান্তিপাড়া থেকে কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্রিত হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়া গুলি করে।
এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ এবং তাঁরই ভাগ্নে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু। তাঁর দাবি, তারা নিজেরাই মিছিল করতে এসে সংঘর্ষে গুলিতে আহত হয়েছেন।
সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু বলেন, আমার কোনো লোক বাসা থেকে বের হয়নি। কাদের মির্জার লোকজন মিছিল করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে শুনেছি।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোম্পানীগঞ্জ সার্কেল) মো. শামীম কবীর বাংলাভিশন ডিজিটালকে জানান, আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সন্ধ্যার পর উভয় পক্ষ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এক পর্যায়ে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে জানাতে পেরেছি ছয়জন আহত হয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম