বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে দাম বেড়েছে রুপা এবং প্লাটিনামেরও। এই নিয়ে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
চলতি মাসে দেশের বাজারে দু’দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস।
বাজুসের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই বিষয়ে আলোচনা করতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী নেতারা বৈঠকে বসেছেন। দাম সমন্বয়ের কোনো সিদ্ধান্ত এখনও কিছু আসেনি। সবশেষ ২৩ মে বিকালে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৩, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৫৮৪ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস সূত্রটি আরো জানায়, বিশ্ব বাজারে করোনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট ও নানান জটিল সমীকরণে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে দেশে আমদানিতে শুল্ক জটিলতা (উপকরণ কর রেয়াত) এবং নানান ধরনের দাফতরিক জটিলতায় ব্যবসায়ীরা স্বর্ণের বার আমদানি করতে পারছেন না। তাছাড়া চাহিদার বিপরীতে জোগান কম থাকায় দেশীয় বুলিয়ান/পোদ্দার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এই কারণে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশে যখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়, তখন বিশ্ব বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিলো এক হাজার ৮৮১ ডলার। গত এক সপ্তাহে তা বেড়ে এখন এক হাজার ৯০৩ দশমিক ২০ ডলারে উঠেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর বিশ্ব বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২২ ডলার।
আগামী সপ্তাহে বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে দাম বেড়েছে রুপা এবং প্লাটিনামেরও। এই নিয়ে বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। চলতি মাসে দেশের বাজারে দু’দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি।
আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হতে পারে।
এই বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আমরা মিটিংয়ে বসেছি, মিটিং শেষে হলে বিস্তারিত বলতে পারবো।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম