ইয়াস: জোয়ারের পানিতে সহস্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের প্লাবিত

জোয়ারের পানিতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন অঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এর মধ্যে জেলার কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউনিয়নে জোয়ারের পানিতে সহস্রাধিক মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। “ইয়াস” ঘূর্ণিঝড় ও পূর্ণিমার ভরাকটালে জোয়ারের পানি অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চাম্পাফুল ইউনিয়নের ১২টি পয়েন্টে মৎস্য ঘেরের বাঁধ ভেঙে এবং কিছু কিছু জায়গায় অভারফ্লো হয়ে সহস্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। এ কারণে ঘের মালিকদের মাথায় হাত উঠেছে।

মিলিয়ন মিলিয়ন টাকার ক্ষতি পুষিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ চালিয়ে, মৎস্য ঘেরগুলিতে পুনরায় বাঁধ দিতে ঘের মালিকদের ঠকঠকে লেগে যাচ্ছে। প্লাবিত হওয়ার কারণে নদীর উপকূলে বসবাসকৃত প্রায় তিন শতাধিক বসতবাড়ি নষ্ট হয়েছে। এখনও উক্ত ঘের ও বসতবাড়িতে জোয়ারের পানি ওঠানামা করছে।

এ ব্যাপারে চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে যে সমস্ত মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে এবং বসতবাড়ি নষ্ট হয়েছে তা পুনরায় মেরামত করতে এবং ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারি সহযোগিতা ছাড়া কোন মতেই সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, আমার ইউনিয়নে খাজরা এবং পোদালী অবদা অভারফ্লো হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছিল। আমি এবং এলাকাবাসী মিলে তৎক্ষনাত অভারফ্লো প্রতিরোধের চেষ্টা করি এবং সফল হয়েছি। কালিগঞ্জের চাম্পাফুল ইউনিয়নের নবীন নগর, মশরকাটি, চান্দুলীয়া, ইউসুফপুর, বারদহা, থালনা, কুমারখালী, জগদীশ কাটি, বাঁধাকুল, ঘুশুড়ী, রাজাপুর, খাজরা ও পোদালী মিলে সহস্রাধিক বিঘা মৎস্য ঘের এবং তিন শতাধিক বসতবাড়ি নষ্ট হয়েছে বলে জানা যায়। এ সকল এলাকায় সুপেয় পানিরও বড় অভাব। জরুরী ঔষধ, বসবাসের উপযোগী ঘরের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সুধী মহল।

মীর খায়রুল আলম/বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর