হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দিল শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে আজ মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে দুই লঙ্কান ওপেনার কুশল পেরেরা ও দানুশকা গুনাথিলাকা।

পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭৭ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। তবে ১২তম ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে দানুশকা গুনাথিলাকাকে বোল্ড করে সাঝঘরে ফেরান তাসকিন।

৩৩ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৩৯ রান করে ফিরেন গুনাথিলাকা। এতে কুশল পেরেরার সঙ্গে তার ৮২ রানের জুটি ভাঙে। ওই ওভারেই উইকেটের পেছনে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে রানের খাতা না খুলে ফিরেন পাথুম নিশাঙ্কা।

দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লঙ্কানরা। এদিকে দারুণ ব্যাটিংয়ের দ্রুত হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন কুশল পেরেরা। এরপর কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে দারুণভাবে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি।

তবে সেই জুটিতেও আঘাত হানেন তাসকিন। ৩৬ বলে ১ ছয়ে ২২ রান করে তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ দিয়ে তাসকিনের তৃতীয় শিকার হন মেন্ডিস। বাকিরা বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হলেও দলের হাল ধরেন পেরেরা।

সাকিবের ওভারে দুইবার জীবন পাওয়ার পর ৯৯ রানে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ মিসে আরও একবার জীবন পান পেরেরা। তিনবার জীবন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত ১২০ রানে শরিফুল ইসলামের বলে মাহমুদউল্লার হাতে ধরা পড়ে ফিরেন তিনি। ১২২ বলে ১১ চার ও ১ ছয়ে এই ইনিংস খেলেন তিনি।

এরপর ৯ বলে ৭ রান করে রান আউট হয়ে ফিরেন নিরোশান ডিকভেলা। ডিকভেলার বিদায়ের পর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়ে রানের গতি বাড়াতে থাকেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।

কিন্তু সেই জুটিতেও আঘাত হানেন তাসকিন। ২১ বলে ১ চারে ১৮ রান করে মিরাজের হাতে ধরা পড়ে তাসকিনের চতুর্থ শিকার হন হাসারাঙ্গা। অন্যদিকে ৬৮ বলে ৪ চারে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ধনাঞ্জয়া।

শেষ পর্যন্ত তার অপরাজিত ৫৫ ও রামেশ মেন্ডিসের অপরাজিত ৮ রানে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান করে শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৮৭ রান।

বার্তাবাজার/নব

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর