পূর্বশত্রুতার জেরে ইয়াসিন আরাফাত সায়েম নামে (১৮) বছরের এক কিশোরকে হত্যা করে পালিয়ে যায় কিশোরগ্যাং চক্র। ঢাকার কদমতলী থানাধীন শনিআখঁড়া এলাকায় বর্ণমালা স্কুলের গলিতে জুনিয়র-সিনিয়র দ্বন্দ্বে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়াসিন আরাফাত সায়েম কদমতলী থানাধীন আল ইসলামিয়া মসজিদ এর পাশে বাপ্পীদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া ও নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন ১২নং কুতুবপুর গ্রামের, আব্দুল আলীর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে হত্যার সাথে জড়িদ ৬ সদস্যকে আটক করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।
আটকৃতরা হলেন, ১) তানজিল শেখ, ২) মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম শুভ, ৩) মোঃ শাহরিয়ার নাফিজ জয়, ৪) মোঃ হাবিবুর রহমান ৫) মোঃ বাবুল হোসেন টুটুল, ও ৬) মোঃ মাহমুদ।
পুলিশ জানায়, গতকাল মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় কারাগারের নামনে পুলিশের টহলটিমের সন্ধেহে পরে ৬ সদস্যের একটি কিশোরগ্যাং চক্র। তাদের শরীরে রক্তমাখা ছিল। প্রথমিক জিঙ্গাসাবাদে ইয়াসিন আরাফাত সায়েম নামে এক কিশোরের সাথে তাদের মারামারি হয় বলে জানান। পরে সায়েম মারা যায় শুনে তারা মাওয়া হয়ে শরিয়তপুরের দিকে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে শিকার করেন। এ ব্যাপারে কদমতলী থানায় খবর নিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। ও আটকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এস আই স্বপন কুমার দাস বলেন, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে গতকাল মধ্যরাতে টহলের সময় ৬ কিশোরকে একসাথে রক্তমাখা অবস্থায় দেখে সন্ধেহ হলে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে জিঙ্গাসা করিলে তারা হত্যার কথা শিকার করেন। তাই তাদেরকে আটককরে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কদমতলী থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, কদমতলী থানা এলাকায় ইয়াসিন আরাফাত সায়েম নামে এক কিশোর হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৬ কিশোরগ্যাং সদস্যকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত অন্যান্যদের আটকের চেষ্টা করছেন পুলিশ।
বার্তাবাজার/পি