সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে আবারো জয়ী হয়েছেন বাশার আল আসাদ। বুধবার (২৬ মে) সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটে বিপুল ভোট পান আসাদ। তবে তার বিরোধীরা ‘প্রহসন’ আখ্যায়িত করে এ নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
সংসদীয় স্পিকার হামৌদা সাববাগ লাইভ কনফারেন্সে প্রেসিডেন্ট আসাদের জয় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আসাদ ৯৫ দশমিক ১ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছেন। তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ সালৌম আব্দুল্লাহ ও মাহমুদ আহমেদ মারি পেয়েছেন যথাক্রমে ১.৫ শতাংশ ও ৩.৩ শতাংশ ভোট।
সিরিয়ার বিরোধী দলগুলো এটিকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যায়িত করেছেন। আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো বলেছে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।
বুধবার (২৬ মে) দামেস্কের দুমা শহরে ভোট দেয়ার সময় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বলেছেন, পশ্চিমাদের মতামত শূন্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
সিরিয়ায় ২০১১ সাল থেকে শুরু হয়েছে গণবিক্ষোভ। প্রায় ১০ বছর ধরে চলছে গৃহযুদ্ধ। এর মধ্যেও দ্বিতীয়বারের মতো সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদসহ ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হয়েছে। এ নির্বাচনে বাশার আল আসাদ চতুর্থবারের মতো সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসার ফলে সিরিয়ায় তার ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে যাচ্ছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
২০০০ সালে সিরিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ করেন বাশার আল আসাদ। ২০১১ সালে আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর তা সিরিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক যুদ্ধে রূপ নেয়। এক দশক ধরে চলা এ যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি