ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত ২৬টি গ্রাম
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব কমলেও অস্বাভাবিকভাবে বে।ড়েছে জোয়ারের পানি। গত কালকের তুলনায় ২-৩ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ২৬টি গ্রাম। মানবেতর জীবনযাপন করছে হাজার হাজার পরিবার।

বৃহস্পতিবার দূপুরে জোয়ারের প্রভাবে হাতিয়ার চারপাশে নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৬ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা ও মাইজচরা গ্রাম প্লাবিত হয়। সে সাথে চরঈশ্বর ইউনিয়নের বাংলাবাজার, মাইচ্ছা মার্কেট, বাদশা মিয়া ও তালুকদার গ্রাম প্লাবিত হয়।
এদিকে বেড়ীবাঁধ না থাকায় নিঝুমদ্বীপে অস্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে গেছে মোল্লা গ্রাম, মদিনা গ্রাম, ছোয়াখালী গ্রাম, নামার বাজার, চর ওসমান, সিডি এসপি এলাকা, মুন্সি গ্রাম, শতফুল ও বাতানখালী সহ ৯টি গ্রাম। লোকালয়ে চলে এসেছে হরীণ।
স্থানীয় বাসিন্দা আকবর হোসেন জানান, হরনী ইউনিয়নের কাজির টেক, নবীপুর, চেয়ারম্যান ঘাট এলাকা এবং চানন্দী ইউনিয়নের মোল্লা গ্রাম, চৌধুরী গ্রাম, রাণী গ্রাম সহ ৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এছাড়াও নলচিরা ইউনিয়নের ২টি, সুখচর ইউনিয়নের ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে উপজেলা হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে লিমা আক্তার (৭) নামের এক শিশু। পরিবার ও স্থানীয় সেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব কমেছে কিন্তু জোয়ারের পানি গত কালকের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্যে ইউনিয়ন প্রতি ২লক্ষ ৫০হাজার টাকার শুকনো খাওয়ার মওজুদ রাখা হয়েছে। এছাড়াও আমাদের ত্রান বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জিল্লুর রহমান রাসেল/বার্তাবাজার/ভিএস