তৃতীয় দফার জোয়ারে রাঙ্গাবালীতে ১৪ গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার তিথির প্রভাবে উপকূলে জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত পানির চাপে কোন কোন যায়গায় বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে আবার কোন যায়গায় ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। এতে তলিয়ে গেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ১৪টি গ্রাম। ঘূর্ণিঝর ইয়াসের এই সময়ে তৃতীয়বারের মতো বৃহস্পতিবার সকালে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে এসব গ্রামের মানুষ এখন পানিবন্ধী রয়েছেন। পানিবন্ধ এসব মানুষের চুলোয় আগুন জলছেনা। এমনকি শুনকনো খাবারও জুটছেনা।

এদিকে হাঁস, মুরগি ও গবাদী পশু হারিয়ে হাকাকার করছেন ক্ষুদ্র আয়ের মানুষ। মাথাগোঁজা ঠাই পানিতে ভেসে যাওয়ায় চরম হতাশায় পরেছেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা ও দক্ষিণ চরমোন্তাজ অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ভেঙে চরআন্ডা, নয়াচর, দক্ষিণ চরমোন্তাজ, উত্তর চরমোন্তাজ, চরবেষ্টিন, মোল্লা গ্রাম প্লাবিত। ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধহীন এলাকা চরনজির ও কাউখালী চর তলিয়ে গেছে। নদী ভাঙন কবলিত চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ না থাকায় মরাজাঙ্গী, চিনাবুনিয়া, বিবির হাওলা, গোলবুনিয়া, চরলতা প্লাবিত হয়েছে। এতে শত শত মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পরেছেন। অনেকে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বার্তাবাজারকে জানান, বেড়িবাঁধ ভেঙে এবং ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে রাঙ্গাবালী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে গেছে। যেসব এলাকার মানুষ পানিবন্ধী হয়ে আছেন, তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে বলা হয়েছে।

বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর