ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে মোংলায় বুধবারের দুপুরের জোয়ারে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মোংলা উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত পশুর নদীর পাড়ের কানাইনগর, চিলা, কলাতলা, সুন্দরতলা ও জয়মনির বাড়ী, ঘর, পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে।
এছাড়া মোংলার পৌর এলাকার কাইনমারী স্লুইস গেইট উপচে পানি পৌর শহরে প্রবেশ করছে। পৌরসভার মধ্যে পানি ঢুকছে মাছমারা এলাকার রাস্তা ছাপিয়ে।
বাড়ী ঘর পানিতে তলিয়ে গেলেও জাল, নৌকাসহ ঘরের মালামালের ক্ষতির আশংকায় তারা কেউ যাচ্ছেন না আশ্রয় কেন্দ্রে। প্রায় সাড়ে ৮শ পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছেন। তাদের উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ও খাদ্য সহায়তার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানান ইউএনও কমলেশ মজুমদার।
জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের দুবলার চর এলাকা ৫/৬ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝড়ে ভেঙ্গে গেছে বনবিভাগের দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির কাঁচা ঘরও। দুবলার সুন্দরবনের ভিতরে পানি বাড়ায় প্রায় ৬ শ থেকে ৭শ হরিণ আশ্রয় নিয়েছে দুবলা মিষ্টি পুকুর পাড়ে বলে জানিয়েছে দুবলা জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায়।
পানিতে তলিয়ে গেছে সুন্দরবনের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন করমজলের ওসি হাওলাদার আজাদ কবির।
কামরুজ্জামান জসিম/বার্তাবাজার/পি