মা ও শিশু সরকারি হাসপাতাল ঘেষে প্রভাবশালীর স্থাপনা নির্মাণ
যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া বাজার সংলগ্ন গোড়পাড়া মা ও শিশু সরকারি হাসপাতালের পশ্চিম পাশের বাউন্ডারিা গা ঘেষে মালিকানাা স্থাপনা নির্মাণ করছেন সাদ্দাম হোসেন নামে এক প্রভাবশালী।
বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে নজরে আসলে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী এই অবৈধভাবে গড়া স্থাপনার ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের সাথে কথা বলতে চাইলে সাদ্দাম হোসেন সংবাদ কর্মীদের বলেন, আমার বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছে। আর আপনারা আমার বাড়িতে আসবেন না। তিনি সাংবাদিকদের সাথে পরে কথা বলার কোন আগ্রহ বা (পরে কথা বলবো) এমন কোন আশ্বাস প্রদান করেননি।
সরজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন ৪০ লাখ টাকা দিয়ে এই জমিটি ক্রয় করেন। কিন্তু ভবন নির্মাণ বা স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে যেখানে একটি দেয়াল থেকে পাশের দেয়ালের দূরত্ব ৩ ফুট রাখার কথা কিন্তু সেখানে ১ ফুটও দূরত্বই নেই। রয়েছে সিমেন্ট দিয়ে জয়েন্ট। তাও আবার সরকারি হাসপাতালে বাউন্ডারি প্রাচীরের সাথে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় প্রভাবশালী সাদ্দাম হোসেন এলাকার জনপ্রতিনিধিদের যোগসাজশে স্থাপনাটি নির্মাণ করছে। এবং সে সবার কাছে দাবি করেন এটা তার রেকর্ডের জমির মধ্যে রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, এটা আমার হাতে না। আমাদের দুইটা পার্ট ক্লিনিক এবং নন ক্লিনিক। আমি নন ক্লিনিকের ভিতর। আর ক্লিনিকের ভিতরের বিষয়গুলো ডাক্তার আবু বক্কর সিদ্দিক দেখাশোনা করেন। আপনি আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেন।
ডা.আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমরা এর আগে একবার সেখানে সরজমিনে গিয়েছিলাম। তখন সাদ্দাম হোসেনের কথাবার্তা ঠিকঠাক ছিলো না। তখন ওনার বাবা এসে এক সপ্তাহ সময় চেয়ে নেন এটা ভেঙে সরিয়ে নেয়ার।
ডা.আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, আমি রোববার দুপুর নাগাদ সেখানে নিজামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও মেম্বারকে সাথে নিয়ে আবারও ওই স্থান পরিদর্শনে যাই। গিয়ে দেখি তখনও তারা ওই অবৈধভাবে গড়া স্থাপনা সরিয়ে নেননি। তখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে সাদ্দাম হোসেন ভুল স্বীকার করেন। এবং তারা আবারও সময় নিয়েছেন। এর পরও যদি তারা ওই স্থাপনা না সরায় তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা বলেন, এ বিষয়ে আমি জানি না। আপনি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের সাথে কথা বলতে পারেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যদি আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করেন তাহলে আমরা তাদের পূর্নাঙ্গ সহোযোগিতা করবো বলে জানান তিনি।
বার্তাবাজার/পি