পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এ রূপ নিয়েছে। এটির কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ওঠে যাচ্ছে।
এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। হুঁশিয়ারি সংকেত দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর ১২টা নাগাদ নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস বলছে, ‘ইয়াস’র প্রভাবে বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান খান সোমবার (২৪ মে) সকালে জানান, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এ পরিণত হয়ে একই এলাকায় (১৬.৬ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে।
২০২০ সালের মে মাসে একই দিক থেকে হানা দিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও দক্ষিণ ভারতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে আম্পান। তবে শক্তি হারিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে আম্পান।
বার্তাবাজার/নব