আগামী বুধবার (২৬ এপ্রিল) স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ। ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের সময় পূর্ণিমা থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছিল। এবারও যদি ঘূর্ণিঝড়ের সময় পূর্ণিমা থাকে তাহলে ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন আবহাওয়াবিদরা।
তাদের মতে, পূর্ণিমায় এমনিতেই সাগরে জোয়ারের উচ্চতা অন্য সময়ের থেকে বেশি থাকে। ফলে এবারের ঘূর্ণিঝড় শক্তিশালী হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান সম্পর্কে তারা জানান, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এটি সোমবার আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় যশ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলের মানুষজন। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। প্রস্তুত রয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঘূর্ণিঝড় শক্তিশালী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে কানাডার সাসকাচুয়ান ইউনিভার্সিটির আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল বলেন, ২৬ মে ভরা পূর্ণিমা। ফলে চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই অক্ষে অবস্থান করবে। চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত অভিকর্ষে ওই দিন উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক নিয়মেই দুই থেকে তিন ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হবে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে যার সঙ্গে যুক্ত হবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উঁচু জলোচ্ছ্বাস।
বার্তা বাজার/এসজে