প্রায় ৪০ দিনের অচলাবস্থা শেষে দেশে চালু হতে যাচ্ছে দুরপাল্লার গণপরিবহন। শর্ত সাপেক্ষে সোমবার (২৪ মে) থেকে সারাদেশে সব ধরণের গণপরিবহন চলাচল করবে। রাইড শেয়ারিং অ্যাপসও চালু করা হয়েছে। তবে এগুলো ব্যবহার করে কোনো মোটরসাইকেল রাইড নেওয়া যাবে না। শুধু গাড়িতে চলাচল করা যাবে।
রোববার (২৩মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব ধরনের গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেয়। এরপর বিআরটিএ সোমবার থেকে ৩০ মে পর্যন্ত গণপরিবহন চালুর বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে।
জারিকৃত নির্দেশনার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলোকেও। ফলে রাইড শেয়ারিং সেবার আওতায় চলাচলকারী গাড়ি চলতে পারবে। তবে রাইড শেয়ারিংয়ে মোটরসাইকেল চলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন বিআরটিএ কর্মকর্তারা।
বিআরটিএর পরিচালক (প্রকৌশল) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, রাইড শেয়ারিংয়ের মোটরসাইকেল চলাচল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়ি চলতে পারবে।
বিআরটিএর নির্দেশ্নায় আরও বলা হয়, মোটরযানের নিবন্ধন সনদে উল্লেখিত আসনসংখ্যার অর্ধেক ফাঁকা রেখে যাত্রী পরিবহন করতে হবে। এর আগেও অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চলেছে। এর জন্য বর্তমান নির্ধারিত ভাড়া হারের অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। সেই বর্ধিত হারের চেয়ে বাড়তি ভাড়া নেওয়া যাবে না বলে বিআরটিএ তাদের নির্দেশনায় উল্লেখ করেছে।
বিআরটিএ জানায়, প্রতি যাত্রার (ট্রিপ) শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে বাস জীবাণুমুক্ত করতে হবে। পরিবহনচালক, শ্রমিক ও যাত্রী—সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকতে হবে গণপরিবহনে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খোন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, কাল থেকে দূরপাল্লাসহ সব জায়গায় বাস চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিবহনমালিক-শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিবহনচালক ও শ্রমিকদের মাস্ক নিশ্চিত করবেন মালিক। আর যাত্রীরা নিজ থেকে মাস্ক পরবেন। নইলে বাসে উঠতে দেওয়া হবে না। বাসে স্যানিটাইজার রাখার জন্যও মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে