ফরিদপুরে কৃষকলীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের সেকেন্দার আলমের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি চেয়ে ও ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোনায়েম খানের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলা কৃষকলীগের নেতৃবৃন্দ।
রোববার (২৩ মে) বেলা ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহীর নিকট সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ফরিদপুর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ শহীদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দাস লক্ষণ স্বাক্ষরিত এই স্মরকলিপি তুলে দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে সেকেন্দার আলম এই মামলাটি করেছেন। কোন এক বিশেষ মহলের পরামর্শক্রমে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাংলাদেশ কৃষকলীগের ফরিদপুর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোনায়েম খানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে মামলার আসামি করা হয়। মামলায় উল্লেখিত দিন ও সময়ে মোনায়েম খান দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গোপালপুর বাজারে ওষুধ ব্যবসায়ী লাভলু শিকদারের প্রয়াত বাবার নামে দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আমরা মনে করি কোন ধরনের তদন্ত ও বিচার বিশ্লেষণ না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলকভাবে আওয়ামী লীগের নেতাদের হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন যদি সঠিকভাবে তদন্ত করে তবে আসল অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পারবেন এবং প্রকৃত দোষীরা বেরিয়ে আসবে। আমরা চাই, সেকেন্দার আলমের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা হোক এবং শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। কিন্তু অকারণে নিরীহ কোন মানুষ যেন ভোগান্তির শিকার না হয় এবং শাস্তি না পায়।’
এসময় স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, জেলা কৃষকলীগের সদস্য খান আমিরুল ইসলাম, মাহাবুব শেখ, আবিদুর রহমান, জেলা কৃষকলীগ নেতা মুজিবুর রহমান, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খান কামরুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ৬ মে সন্ধ্যায় গোপালপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সেকেন্দার আলম শেখের ওপর উপজেলার পবনবেগ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা হয়। ওই হামলার ঘটনায় সেকেন্দার আলম বাদি হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় মোনায়েম খানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও গোপালপুর বাজার বণিক সমিতির সদস্যসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়। সেকেন্দার আলম স্থানীয় সাপ্তাহিক একটি পত্রিকার সম্পাদক।
মিয়া রাকিবুল/বার্তাবাজার/ভিএস