আজিজনগর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
বান্দরবানের লামা আজিজনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে গেলো ৪’মে লামা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চেয়ারম্যানকে এক নং আসামী করে লিখিত অভিযোগ করেছেন মো. আবুল কালাম নামে এক ভুক্তভোগী।
এছাড়া চেয়ারম্যান পাড়ার সাধন দেবের ছেলে রনি কুমার দেব (২৬) একই এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে মো: আলমগীর (৪০) এবং ইসলামপুর ৪নং ওয়ার্ডের মৃত আলতাফ মিয়ার ছেলে মো. মোস্তাক (৩৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাদী আবুল কালাম তার পৈত্রিক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে ৩০৭ নং চাম্বি মৌজার ২৯নং হোল্ডিং এর কিছু পরিমাণ জায়গা জনৈক জাহাঙ্গীর জবরদখল নেওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নালিশ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান ৩শ টাকা দামের খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর বিহীন বিচার করিতে পারিবেনা বলে জানিয়ে দিলে বাদী আবুল কালাম অপারগ হয়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ অভিযোগে উল্লেখিত বিবাদীগন দাঁড়িয়ে থেকে জায়গা দখল করে নিজেরাই নিয়ে নেয়। বাদী আবুল কালাম যখন জায়গার দখল বুঝিয়ে দিতে বলে তখন শুরু হয় বাক বিতন্ডতা। চেয়াম্যান হুট করেই দাবী করে ৪লক্ষ টাকা চাঁদা। অন্যথায় চেয়ারম্যান নিজেই ভোগ করবেন বলে জানিয়ে দেয় বাদীপক্ষকে।
মামলার বাদী আবুল কালাম বলেন, টাকার প্রয়োজনে আমার নামীয় অংশের জমি হতে জনৈক ব্যক্তি রবিউল ইসলাম তারেককে ০.০৪ (চার শতক) জমি বিক্রি করি। ক্রেতা তারেক তার জমি বুঝে নিয়ে ইট দিয়ে বাউন্ডারী দেয়াল দিতে গেলে চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন তার লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে তারেকের বাউন্ডারী দেয়াল ভেঙে ফেলে এবং নির্মাণ মেস্ত্রীকে মারধর করে। তাদের তান্ডব দেখে আমি ভয়ে পালিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মুটোফোনে আমায় অকথ্য ভাষায় হুমকি-দমকি ও গালাগালি করেন।
তিনি আরো বলেন, জমি দখল কিংবা কাউকে বিক্রি করলে চেয়ারম্যানকে অবশ্যই ৪লক্ষ টাকা চাঁদা দিতেই হবে। চাঁদা না দেওয়ায় আমাকে হুমকী দমকি দিয়েই যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এনিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দীন এসব অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে বলেন, এটি কেবল সম্প্রতি নির্বাচনকে ঘিরে পক্ষ-বিপক্ষ লোকজনের অপপ্রচার।
মিজানুর রহমান/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম