প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার শেষ রাউন্ডে ২-১ গোলে জিতে সাত বছর পর লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আতলেতিকো। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এটা তাদের একাদশ শিরোপা।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য জয়ই প্রয়োজন ছিল অ্যাটলেটিকোর। রিয়াল মাদ্রিদ মরিয়া হয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছে। নিজেদের মাঠে ভিয়ারিয়ালের কাছে ২০ মিনিটেই গোল হজম করার পর অনেকটা ১-০ ব্যবধানে পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল যেন তারা, কিন্তু ৮৭ মিনিটে করিম বেনজেমা এবং ইনজুরি সময়ে লুকা মদরিচ গোল করে রিয়ালকেও ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন।
রিয়াল ভায়াদোয়িদের মাঠে গিয়ে কোনোভাবে হেরে যেতো কিংবা ড্র করতো অ্যাটলেটিকো, তাহলে ভিয়ারিয়ালকে হারানোর সুবাধে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতো রিয়াল মাদ্রিদই। কারণ, দু’দলের পয়েন্ট হয়ে যেতো সমান। তখন হেড টু হেডে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিন হতো রিয়াল।
কিন্তু সে হিসেব আর কষতে হয়নি। জিতেই চ্যাম্পিয়ন হলো অ্যাটলেটিকো। রিয়াল ভায়াদোয়িদের মাঠে খেলতে নেমে শুরুতেই দিয়েগো সিমিওনকে চমকে দিয়েছিল ভায়াদোয়িদ। দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ১৮ মিনিটেই অ্যাটলেটিকোর জালে বল দেন স্বাগতিক দলের ওসকার প্লানো।
প্রথমার্ধ শেষ হয় রিয়াল ভায়াদোয়িদের ১-০ গোলে লিডে থেকেই। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পর ম্যাচের ৫৭ মিনিটে অ্যাটলেটিকোকে সমতায় ফেরান অ্যাঞ্জেল কোরেয়া। ঠিক ১০ মিনিট পর, ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফিনিশিং দেখা গেলো লুইস সুয়ারেজের পা থেকে। তার গোলেই চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট উঠলো অ্যাটলেটিকোর মাথায়।
২০১৪ সালের পর আবার লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হলো অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। আর সর্বশেষ ৪০ বছরে এটা তৃতীয় শিরোপা মাদ্রিদের এই ক্লাবটির। এর আগে ১৯৯৬ সালে শিরোপা জিতেছিল অ্যাটলেটিকো।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম