আবারো বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

ফরিদপুরে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। এক সপ্তাহে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। এজন্য কিছু ব্যবসায়ী ও কৃষক করোনার বিধিনিষেধকে দোষারূপ করছেন।

দেশের পেঁয়াজের চাহিদার ৩০ ভাগই পূরণ করে ফরিদপুর জেলা। জেলার সব উপজেলাতেই পেঁয়াজ আবাদ হয়।

কৃষি বিভাগের হিসেবে, গত বছর জেলার ৩৭ হাজার ৬শ’ ৭৮ হেক্টর জমিতে ৫ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। আর চলতি বছর ৪০ হাজার ৯৭ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ১শ’ ৮৫ মেট্রিক টন।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোহাম্মদ হযরত আলী বলেন, ‘কৃষকগণ এবছরে পেঁয়াজের ভালো ফলন পেয়েছে। ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এটা কৃষকদের জন্য ভালো খবর। এটাকে পুজি করে কেউ পরবর্তীতে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটা আমাদের জন্য খুবই খারাপ হবে।’

এরপরও ঈদের পর থেকে প্রতিদিনই বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। গত এক সপ্তাহে পাইকারিতে আড়াইশ থেকে সাড়ে তিনশ টাকা বেড়ে প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭ থেকে ১৮শ টাকায়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

ক্রেতারা জানান, রমযান মাসে ৩০ টাকা কেজি পেঁয়াজ কিনলেও এখন ৪০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছেনা। বাজার মনিটরিং করে খতিয়ে দেখতে হবে যে কেন পেঁয়াজের দাম বাড়লো।

দাম বাড়ার জন্য সাধারণ কৃষক ও করোনা পরিস্থিতিকে দুষছেন কিছু ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে যে দাাম বিক্রি করতাম এখন তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। আমদের এখানে কৃষকের কাছ থেকেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। মনিটরিং করলে দাম বেশি বাড়বেনা।

এ অবস্থায় মনিটরিং করলে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করেন, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতারা। হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘যে পরিমানে পেঁয়াজ আছে তাতে ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসলেও কোন সমস্যা হবেনা। আশা করি দাম স্বাভাবিক থাকবে, আমরা সেদিকে খেয়াল রাখছি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছি।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর