মরা থেকে জীবিত হয়েছেন আরও ৬ হাজার জন!

নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে মৃত বলে দেখানো অনেক নাগরিক বেঁচে থাকা সত্ত্বেও তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কোনো কাজই করতে পারছিলেন না। বাধ্য হয়ে তার শরণাপন্ন হন ইসির। পরে তদন্ত করে তাদেরকে পূণরায় ভোটা হিসেবে তালিকাভূক করা হয়েছে। সম্প্রতি আরও প্রায় ৬ হাজার ভোটার এই মৃত অবস্থা থেকে তালিকাভুক্ত হয়েছেন লে জানিয়েছে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা।

সোমবার তারা জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ৩ ধাপে পর্যায়ক্রমে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার জনকে রোলব্যাক করা হয়েছে। তাদের সবার নাম মৃত ভোটার হিসেবে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

এরই ধাবাহিকতায়, গত মার্চ মাসে ৮৬১ জন ‘মৃত’ দেখানো নাগরিককে পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ভোটারকে মৃতদের তালিকা থেকে পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, জীবিত ভোটারের নাম যেকোনো কারণে কর্তনের তালিকায় (ভোটার মারা গেলে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়) চলে যায়। অনেক সময় জীবিত ভোটারের নামও চলে যাচ্ছে মৃতদের তালিকায়। পরে এসব ভোটার যখন তাঁদের এনআইডি দিয়ে কোনো কাজ করতে পারেন না তখন তাঁরা কমিশনের শরণাপন্ন হন। আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনরায় তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এভাবে জীবিতদের মৃতের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে এর আগে ইসি’র উপ-সচিব মো. আব্দুল হালিম খান জানিয়েছিলেন, যার দোষে জীবিত ভোটার ‘মারা’ হচ্ছে বা যদি দেখা যায়, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারকে মৃতের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ইসি’র দেয়া সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১১ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার ৬৬৯ ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৮ হাজার ৫ জন, নারী ভোটার ৫ কোটি ৫১ লাখ ২২ হাজার ২২৩ জন ও ৪৪১ জন হিজড়া ভোটার রয়েছে।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর