হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির প্রভাবশালী নেতা মামুনুল হক স্বীকার করেছেন তিনি ৩টি বিয়ে করেছেন। তবে প্রথম বিয়েতে সব ঠিক থাকলেও পরের দুই বিয়েতে কোনো কাবিন ও দেনমোহর ধার্য করা হয়নি।
আলোচিত এই হেফাজত নেতার কথিত এক স্ত্রীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে তিনি এসব তথ্য পুলিশের কাছে জানান। মঙ্গলবার (১৮ মে) থেকে বৃহস্পতিবার (২০ মে) পর্যন্ত এই মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে এসব কথা স্বীকার করেন মামুনুল হক।
এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক তিনটি বিয়ে করার কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু ধর্ষণ মামলার বাদী ও অপর এক নারীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না। কাবিননামা বা দেনমোহরও ছিল না বলে জানিয়েছেন মামুনুল। এই দুই স্ত্রীর একজনের বাড়ি ফরিদপুর, যিনি মামলার বাদী আর আরেক স্ত্রীর বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়।
তিনি আরো জানান, ধর্ষণ মামলার বাদীর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক জানিয়েছেন, বাদীর স্বামীর সঙ্গে আগে থেকেই তার পরিচয় ছিল। সেভাবে ২০০৭-০৮ সাল থেকে তার সর্ম্পক। স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে বাদীর সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। বাদীকে বিয়ের সময় কোনো কাজী ছিল না, কাবিননামা-দেনমোহরও নেই।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, মামুনুল স্বীকার করেছেন, ‘কাবিন’ ও ‘দেনমোহর’ ছাড়া মেলামেশা করা ঠিক হয়নি, ভুল হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।
বার্তা বাজার/এসজে