তেতুলিয়া নদীতীর ব্লোক এলাকা ভ্রমণ প্রিয় হলেও সড়ক যোগাযোগ না থাকায় দূর্ভোগ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার তেতুলিয়া নদীর পাড়ে নয় কিলোমিটার ব্লোক এলাকা উপজেলার ভ্রমন পিপাসু মানুষের কাছে এক টুকরো স্বর্গ হয়ে উঠেছে তবে কাচা সড়কের কারনে মহিলা বৃদ্ধ শিশুদের নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে ভ্রমন পিপাসুদের। ভ্রমন পিপাসু শত শত মানুষ ব্লোক পর্যন্ত সড়ক পাকা করনের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোগান্তির কথা লিখে পোষ্ট দিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তেতুলিয়া নদীর ভাঙ্গন রোধে ২০১৬ সালে জাইকার অর্থায়নে দশমিনা সদর ইউনিয়নের আরজবেগী এলাকা থেকে রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর পর্যন্ত সারে চার কিলোমিটার নদীর তীরে উচু বেড়িবাধ তৈরি করে সারিবদ্ধ পাথরের ব্লোক তৈরি করে বেধে দেওয়া হয়। ব্লোক তৈরির পর থেকেই তেতুলিয়া নদী অংশের ওই সারে চার কিলোমিটার এলাকা ভ্রমন পিপাসুদের মাঝে এক টুকরো স্বর্গ হিসেবে আবিভর্’ত হয়। বর্তমানে প্রতিদিন শত শত ভ্রমন পিপাসু মানুষ ভীড় জমান ব্লোকের ওই অংশটুকুতে। সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মানুষের ভীড় উপচে পরে তেতুলিয়ার পাড়ে। এদিকে ব্লোকে যাতায়াতের জন্য দশমিনা সদর অংশের সৈয়দ জাফর এলাকা থেকে দুই কিলোমিটার, হাজিরহাট থেকে চার কিলোমিটার এবং আউলিয়াপুর থেকে দুই কিলোমিটার কাচা সড়কের কারনে চরম দূভোর্গ পোহাতে হচ্ছে ব্লোকে যাতায়াতকারী মানুষদের। বর্ষা মৌসুমে ব্লোকে যাতায়াতের কাচা সড়কে হাটু সমান কাদা পানি জমে থাকায় প্রায় ৬ মাস বন্ধ থাকে ব্লোকে যাতায়াতকারী ভ্রমন পিপাসু মানুষের।

রনগোপালদী ইউপি চেয়ারম্যান নাসির সিকদার জানান, ব্লোকের ওই সড়কের অংশটুকু পাকা করনের আবেদন স্থানীয় সংসদ সদস্যর ডিও লেটার সহ এলজিইডিতে জমা দিলেও তারা কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

দশমিনা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড,ইকবাল মাহামুদ লিটন জানান, উপজেলা পরিষদ সভায় ওই সড়ক গুলোর ব্যাপারে প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি জানান, সড়ক যোগাযোগ পাকা হলে তেতুলিয়া নদী তীরের ব্লোক এলাকা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এলজিইডির দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন জানান, ওই সড়ক গুলোর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তবে করোনা মহামারীর কারনে বাস্তবায়ন প্রকৃয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এস, এম,শাহজাদা জানান, আগামী অর্থ বছরে ওই সড়কগুলোর কাজ শুরু হতে পারে এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর