বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, জেলেরা হতাশ

মৎস্য প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনে ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এদিকে, ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় জেলেদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।

সুন্দরবন সন্নিহিত বাগেরহাটের শরণখোলার মৎস্য ব্যবসায়ী ও ফিশিং ট্রলার মালিক আনোয়ার হোসেন, সগির হোসেন, জামাল হোসেন ও কবির হোসেন সহ অন্যান্যরা জানান, ইলিশ ধরার মৌসুম হলো বছরের জুন থেকে ছয় মাস। এর মধ্যে প্রথমে মৎস্য মন্ত্রনালয় ১১ দিন ইলিশ অবরোধ জারি করেছিল। পরে এটিকে করা হয় ২২ দিন। শেষে ভরা মৌসুমে ২২ দিনের পাশাপাশি ৬৫ দিনের মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় মৌসুম সংকুচিত হয়ে দাড়িয়েছে এখন তিন মাসে। এ কারনে অনেকেইে পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে গেছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী বিলাস রায় জানান, এ মাছের উপরই তাদের জীবন-জীবিকা। মাছ ধরা বন্ধ থাকলে তাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়, উপকূলের জেলেরা এখন হতাশায় পড়েছেন। ৬৫ দিনের জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা বেকার হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৬৫ দিন ধার দেনা করে দিন কাটাতে হবে।

শরণখোলা উপজেলা মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ফরাজী জানান, যথাযথ সময়ে যদি ২২ দিনের অবরোধ শতভাগ কার্যকর করা হতো তাহলে ৬৫ দিনের মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন হতোনা। ৬৫ দিনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা এখন জেলেদের জন্য মরার উপর খারার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সরকারের বিচেনা করার দাবী জানিয়েছেন তিনি।

বাবুল দাস/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর