বিক্রি হবে জাতীয় চিড়িয়াখানার চিত্রা হরিণ ও নীল ময়ূর

বন্ধ জাতীয় চিড়িয়াখানা। নেই লোকসমাগম। নেই প্রাণিদের উত্যক্ত করা লোকজনও। এমন পরিবেশে জাতীয় চিড়িয়াখানায় বেড়েছে চিত্রা হরিণের সংখ্যা।

জন্ম নিচ্ছে নীল ময়ূরও। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত প্রাণিকে জায়গা দিতে হচ্ছে প্রতিটি শেডে। বেড়েছে ব্যবস্থাপনা খরচও। তাই চিত্রা হরিণ ও নীল ময়ূর বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তবে, প্রাণিগুলো কিনতে ক্রেতাকে সম্মুখীন হতে হবে বেশকিছু শর্তের।

জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রাপ্তবয়স্ক শতাধিক সাদা ও নীল ময়ূরের সমাবেশ এখন। চলছে ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদনও। এ অবস্থায় নীল ময়ূরকে বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করে দেশজুড়ে ছড়িতে দিতে চায় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, দিনে দিনে বেড়ে চলছে চিত্রা হরিণের সংখ্যাও। সুন্দরবন, নিঝুম দ্বীপ বা বন্য অভয়ারণ্যের মতো অবাধ বিচরণের সুযোগ না পেলেও থেমে নেই হরিণের জীবনচক্র।

করোনা মহামারিতে চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকায় হরিণেরা পাচ্ছে নির্বিঘ্নে বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পরিবেশ। বছর দেড়েক আগের দেড়শো হরিণ এখন বেড়ে তিনশো ছাড়িয়েছে।

জাতীয় চিড়িয়াখানা পরিচালক ডা. আব্দুল লতিফ বলেন,’পরিচর্যা করা সত্যিই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে লোকবল, বাজেট সংকুলান, খাদ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো রয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে একটু অতিরিক্ত হয়ে গেছে।’

ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত হরিণ ও ময়ূর জন্ম নেয়ায় এগুলোকে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তবে, শুধু টাকা হলেই কেনা যাবে না এগুলো; মানতে হবে কিছু শর্ত।

জাতীয় চিড়িয়াখানা পরিচালক ডা. আব্দুল লতিফ জানান,’একজোড়া চিত্রা হরিনের দাম এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং একজোড়া ময়ুরের দাম ৫০ হাজার টাকা। তবে এটা কেনার জন্য বন বিভাগের ছাড়পত্র লাগবে।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর