ঈদ শেষে উত্তরবঙ্গের কর্মমুখী মানুষ রাজধানী ঢাকায় ফিরছে গাদাগাদি করে। তবে উপচেপড়া ভিড়ের কারণে কারো মধ্যেই নেই স্বাস্থ্যবিধি।
এদিকে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় ঈদের আগে নানা ভোগান্তি ও দুর্ভোগ পেড়িয়ে পরিবারের সাথে ঈদ করতে এলেও ছুটি কম হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ভালো মতো ঈদের ছুটি কাটাতে পারেননি।
মঙ্গলবার (১৮ মে) বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড় হাটিকুমরুল ও কড্ডায় গিয়ে দেখা যায় কর্মমুখী মানুষেরা ট্রাক, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যানে গাদাগাদি করে কর্মস্থল ঢাকায় ফিরছে। তবে রাস্তায় ট্রাক, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান থাকায় ভোগান্তি হলে ও গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। তবুও কর্মে যেতে পারছেন বলে জানান তাঁরা।
ঢাকায় কর্মরত ভ্যানচালক আব্দুল মজিদ বলেন, ভোগান্তি মাথায় নিয়ে নিজ গ্রামে এসেছিলাম, আবার কর্মে ফিরতে কড্ডায় এসেছি। তবে মহাসড়কে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল না করায় তাদের এ ভোগান্তি আরো বেড়েছে। পথে পথে ছোট ছোট বাহন পরিবর্তন করে তাদের অতিরিক্ত কয়েকগুণ টাকা খরচ করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
রাজধানীতে কর্মরত ব্যাংকার রেজাউল করিম বলেন, ভোগান্তি ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে এবং মানুষের চাপ কমাতে গণপরিবহন চালু করতে অনুরোধ জানান তিনি।
এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু টোলপ্লাজা সূত্রে যায়, গতকাল সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯ হাজারটি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সহকারী পুলিশ সুপার (কামারখন্দ-বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সার্কেল) শাহিনূর কবির বলেন, দূরপাল্লার বাস বঙ্গবন্ধু সেতু পার হতে দেয়া হচ্ছেনা। হাটিকুমরুল হতে সেতু পর্যন্ত তিনটা চেকপোস্ট বসিয়ে দূরপাল্লার বাস ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
তবে অন্য সব যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে।
এম এ মালেক/বার্তাবাজার/পি