‘ডিএনসিসি মার্কেটটি করোনা হাসপাতাল হিসেবেই ব্যবহৃত হবে’

ডিএনসিসির মহাখালী মার্কেটে কখনোই আর দোকান হবে না বলে জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, সদ্য নির্মিত কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালটি জনগণের জন্য স্থায়ীভাবে থেকে যাবে। এই হাসপাতালটিতে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা চলবে।

শনিবার (১৫ মে) দুপুরে, গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নগরভবনে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মেয়র আতিকুল হুঁশিয়ারি দিয়ে আরো বলেন, সিটি করপোরেশনের রাস্তা দখল করে যারা বাড়ি করেছেন, তাদের কোনো নোটিশ দেয়া হবে না, স্বেচ্ছায় চলে যেতে হবে তা না হলে বাড়ি ভেঙে দেয়া হবে। এছাড়াও এডিস মশার জন্ম ঠেকাতে বাড়িতে, ছাদে, ফুলের বাগামে তিনদিনের জমা থাকা পানি ফেলে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

গত ১৮ এপ্রিল মহাখালী কাঁচাবাজারের ছয় তলা বিশিষ্ট এক লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ বর্গফুট আয়তনের ফাঁকা ভবনে চালু হয় দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল’। হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গ হলে রোগীদের জন্য ২১২টি আইসিইউ, ২৫০টি এইচডিইউ ও ৫৪০টি আইসোলোটেড হাই কেয়ার রুম থাকবে। ৫০০ জনেরও বেশি করোনা রোগীকে একসঙ্গে উচ্চ-প্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

এছাড়া, ১৫০ জন চিকিৎসক হাসপাতালে যোগদান করেছেন, নার্স যোগদান করেছেন ২০০ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী যোগদান করেছেন ৩০০ জনের মতো। এছাড়া এই হাসপাতালে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর প্রায় ১৫০ জন চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর