রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মায় নিখোঁজ মাইক্রোবাস চালক মারুফ হোসেনের মৃতদেহ (৪৫) উদ্ধার হয়েছে।
নিহত মারুফ হোসেন সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সুন্দরারচক গ্রামের মৃত মানিক হোসেনের ছেলে। তিনি ঢাকা রামপুরাতে থাকতেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ফেরিঘাট থেকে প্রায় দেড় কিঃমিঃ দূরে ১নং ছাত্তার মেম্বার পাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকায় তার লাশ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন।লাশটি নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে স্বজনদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুন্নাফ আলী শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন,গত ১১ মে মঙ্গলবার বেলা সারে ১১ টায় হঠাৎ ঝড়ে পন্টুনের তার ছিড়ে দৌলতদিয়ার ৫ নং পন্টুনের উপর থেকে মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে যায়। বেলা দেড়টার দিকে উদ্ধারকর্মীরা মাইক্রোবাসটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।কিন্তু ভেতরে থাকা চালক মারুফের খোঁজ পাওয়া যায় নি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১১ মে) চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাস বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৫ নং পল্টনের ঝড়ো বাতাসে তার ছিঁড়ে গেলে পল্টুনের উপড়ে থাকা মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে ডুবে যায়। সেই থেকে মাইক্রোবাসের চালক নিখোঁজ ছিল। তবে মাইক্রোবাসে কোন যাত্রী ছিল না বলে স্থানীয়রা জানান
বার্তাবাজার/পি